তুরস্কের বিদ্রোহী এক সেনা সদস্যের শিরশ্ছেদ ঘটনা তুমুল আলোচনার ঝড় শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগে মাধ্যমগুলোতে।
টুইটারে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবিতে দেখা যায় ইস্তাম্বুলের বসফরাস সেতুর উপর এক সেনার মস্তকবিহীন দেহ পড়ে আছে।
এটা ক্ষমতাসীন জাস্টিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একেপি) উত্তেজিত সমর্থকরা তার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে সব মহলে।শুক্রবার রাতে তুরস্কের সেনাবাহিনীর অভ্যুত্থানের চেষ্টায় স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজপথে অবস্থান নেয়।
তারা প্রথমে ইস্তাম্বুলের বসফরাস ও সুলতান মেহমুত সেতুর উপর অবস্থান নিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয়।সিএনএনসহ সে দেশের গণমাধ্যমগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়।এমনকি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এরদোয়ানের দল একে পার্টির ইস্তাম্বুল দপ্তরেও হানা দেয় বিদ্রোহী সেনা সদস্যরা।
এ সময় উপকূলের শহর মারমারিসে অবকাশে থাকা এরদোয়ান অভ্যুত্থানের খবর পেয়েই স্মার্টফোনে দেওয়া এক ভাষণে জনগণকে এ অভ্যুত্থান প্রতিরোধে রাস্তায় নেমে আসার আহ্বান জানান।আহ্বানে সাড়া দিয়ে তার বিপুল সংখ্যক সমর্থক রাস্তায় নেমে আসে এবং অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়।
শনিবার ভোরে বিদ্রোহী সেনারা আত্মসমর্পণ করে।অভ্যুত্থান পরিকল্পনার অভিযোগে ২৮৩৯ সেনাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বেনালি ইলদিরিম।
অভ্যুত্থানের পর তড়িঘড়ি করে ইস্তাম্বুল পৌঁছে এক ভাষণে এরদোয়ান বলেন, “সেনাবাহিনীর ক্ষুদ্র একটি দল অভ্যুত্থানের চেষ্টা করেছিল, তারা রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধ করেছে, এজন্য তাদের চড়া মূল্য দিতে হবে।”
জেড





