কলাম্বিয়ার এক সৈনিকের মুখে আটকে থাকা একটি তাজা গ্রেনেড অপসারণ করেছেন দেশটির চিকিৎসকরা।
দুর্ঘটনাবশত গ্রেনেড লঞ্চার থেকে ফায়ার হয়ে যাওয়া একটি গ্রেনেড ওই সৈনিকের মুখের ভিতর ঢুকে গিয়ে বিস্ফোরিত না হয়ে আটকে গিয়েছিল বলে জানিয়েছে দ্য টেলিগ্রাফ, মেইল অনলাইন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও বিবিসি এ ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে।
এতে প্রকাশিত এক্স-রে ছবিতে আশ্চর্যজনকভাবে ওই সৈনিকটির মুখের গভীরে ‘তাজা’ গ্রেনেডটি আটকে থাকতে দেখা গেছে।
কলাম্বিয়ার রাজধানী বোগোটার কেন্দ্রীয় সামরিক হাসপাতালের বাইরে গাড়ি রাখার জায়গায় ঝুঁকিপূর্ণ অস্ত্রোপচারটি করা হয়। অস্ত্রোপচারে লুয়িস এদুয়ার্দো পেরেজ আরাঙ্গো নামের ওই সেনার মুখের গভীর অংশ থেকে সাফল্যজনভাবে গ্রেনেডটি অপসারণ করা হয়।
অস্ত্রোপচার চলাকালে যে কোনো মুহূর্তে গ্রেনেডটির বিস্ফোরণ হওয়ার আশঙ্কা ছিল। তারপরও ঝুঁকি নিয়েই দুঃসাহসী চিকিৎসকেরা খুব সাবধানে অস্ত্রোপচারটি করেছেন।
বিস্ফোরণজনিত ক্ষতি এড়াতে হাসপাতালের বাইরে গাড়ি রাখার জায়গায় অস্থায়ী একটি অস্ত্রোপচার থিয়েটার স্থাপন করে কাজটি সারা হয়।
প্রধান সার্জন উইলিয়াম স্যানচেজ বলেন, “খুব কঠিন একটি পর্ব ছিল এটি। যৌক্তিকভাবেই অত্যন্ত চাপ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলাম আমরা। কিন্তু রোগীর জীবন বাঁচাতে এ ছাড়া অন্য কোনো পথ ছিল না। সারাক্ষণ ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছি, আরো বড় কোনো ট্র্যাজেডি যেন না ঘটে।”
তিনি আরো বলেন, “অস্ত্রোপচারটি হাসপাতালের বাইরে করেছি, কারণ বিস্ফোরণ হলে যেন ক্ষয়ক্ষতি কম হয় সেদিকটি নিশ্চিত করতে চেয়েছি আমরা।”
আরাউকা সেনাবাহিনীর অষ্টম ডিভিশনের ওই সৈনিকটি এখন আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
তবে চিকিৎসকদের কঠোর পর্যবেক্ষণে বেশ কিছু দিন হাসপাতালেই কাটাতে হবে আরাঙ্গোকে।
এফএফ





