সেক্রেড ডিফেন্স উইক উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় খামেনি এসব কথা বলেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরান-ইরাক যুদ্ধের স্মরণে প্রতিবছর দেশটিতে সেক্রেড ডিফেন্স উইক পালন করা হয়। এবারের কর্মসূচিতে ২০২৪ সালে নিহত হিজবুল্লাহর সাবেক নেতা হাসান নাসরাল্লাহর মৃত্যুর বার্ষিকীও স্মরণ করা হচ্ছে।
বার্তায় খামেনি দাবি করেন, ইরানের যোদ্ধা এবং হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তায় নিয়োজিত বাহিনীর হামলায় শত্রু বাহিনী বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। এর পর তারা দক্ষিণ ইরানের উপকূলীয় জলসীমা ছেড়ে আরব সাগরের দিকে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
খামেনি বলেন, ইরানের বাহিনীর হামলায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির পর শত্রু বাহিনী এখন আরব সাগরের আরও বাইরে সরে যাওয়ার ঝুঁকি নিচ্ছে না।
তাঁর দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে আরও অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলেই প্রতিপক্ষকে ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের পদক্ষেপের পরিণতি তাদের জন্য ক্ষতিকর হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, এমন একটি সময় দ্রুত এগিয়ে আসছে, যখন আরব সাগরও শত্রু বাহিনীর উপস্থিতি থেকে মুক্ত হবে।
খামেনির এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন ইরানকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে। তাঁর বক্তব্যে ‘শত্রু বাহিনী’ বলতে নির্দিষ্ট কোনো দেশ বা বাহিনীর নাম উল্লেখ করা হয়নি।
এস











