সিরিয়ায় সেনা মোতায়েনে রুশ পার্লামেন্টের অনুমোদন পেলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ফলে এখন সিরিয়ায় গিয়ে রাশিয়ার সেনাদের যুদ্ধ করতে আর কোনো বাধা রইল না।
পুতিন যখন ইচ্ছা করবেন, তখনই সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সিরিয়ায় পাঠাতে পারবেন। তবে প্রাথমিকভাবে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা শুধু বিমান হামলায় যুক্ত হতে পারবেন বলে জানা গেছে।
এরই মধ্যে সিরিয়ায় সামরিক অস্ত্র, যুদ্ধবিমান ও সামরিক হেলিকপ্টার পাঠিয়েছে রাশিয়া। প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের সরকারকে সাহায্য করছে রাশিয়া। সরকারবিরোধী বিদ্রোহী গ্রুপগুলো ও ইসলামিক স্টেট (আইএস) বাশারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। রাশিয়ার দাবি, আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সিরিয়াকে সহযোগিতা করছে তারা।
এদিকে সিরিয়ায় রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বেগ প্রকাশ করলেও সম্প্রতি ওবামা ও পুতিনের মধ্যে যে বৈঠক হয়েছে, তাতে এই দুই বিশ্বনেতা আইএসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে মতৈক্যে পৌঁছেছেন। তবে প্রেসিডেন্ট বাশারের বিষয়ে পুতিনের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছেন ওবামা।
রাশিয়ার পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে (ফেডারেশন কাউন্সিল) সিরিয়ায় সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব পাস হওয়ার পর ক্রেমলিন প্রশাসনের প্রধান সের্গেই ইভানোভ জানান, ‘সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট রাশিয়ার নেতৃত্বের কাছে সামরিক সহায়তা চেয়েছেন।’
ইভানোভ আরো জানিয়েছেন, পার্লামেন্টের এই অনুমোদনের অর্থ এই নয় যে, রাশিয়ার সেনারা সিরিয়ায় স্থল অভিযানে অংশ নেবে। তারা শুধু বিমান হামলায় অংশ নেবে। (তথ্যসূত্র : রয়টার্স অনলাইন)।
এমকে





