ইয়েমেন ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থান স্পষ্ট না করলে দেশটিকে চরম মূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী ড. আনোয়ার মোহাম্মাদ গার্গাশ এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ইয়েমেন ইস্যুতে পাকিস্তান নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে শুক্রবার দেশটির পার্লামেন্টে এমন একটি প্রস্তাব পাস হওয়ার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে এ ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হলো। ইয়েমেনে সরাসরি হামলায় অংশ না নিয়ে বরং সৌদি আরবের পবিত্র স্থাপনা রক্ষায় পাক সেনারা অংশ নেবে বলেও শুক্রবারের ওই প্রস্তাবে পাস হয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওই মন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তান ও তুরস্কের অস্পষ্ট ও বিতর্কিত অবস্থান এটাই প্রমাণ করে যে, আরবের (ইয়েমেন থেকে লিবিয়া) নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব শুধু আরব দেশগুলোর।’
দেশটির বিখ্যাত পত্রিকা খালিজ টাইমসকে গার্গাশ বলেন, পাকিস্তানের এই অস্পষ্ট অবস্থানের কারণে দেশটিকে চরম মূল্য দিতে হবে। তিনি বলেন, ছয় জাতির গাল্ফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কের পক্ষে পাকিস্তানের অবস্থান স্পষ্ট করা উচিত।
পাকিস্তানের পার্লামেন্টে ওই প্রস্তাব পাসের পর গার্গাশ এক ট্যুইটারে লেখেন, ‘ইসলামাবাদ (পাকিস্তান) ও আঙ্কারার (তুরস্ক) কাছে গাল্ফ রাষ্ট্রগুলোর চেয়ে তেহরানের গুরুত্বই বেশী।’
প্রসঙ্গত, সৌদি আরবে নেতৃত্বে ইয়েমেনের শিয়াপন্থী হোথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা শুরু হয় গত ২৬ মার্চ। এরপর সৌদি সরকার পাকিস্তানকে ওই জোটে যোগ দেওয়ার অনুরোধ জানায়। রিয়াদের ওই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে গত কয়েকদিন ধরে পাক পার্লামেন্টে আলোচনা চলছিল। সর্বশেষ শুক্রবার নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখার পক্ষেই মত দেন দেশটির সংসদ সদস্যরা।
রিয়াদের অভিযোগ, ইয়েমেনের হোথি বিদ্রোহীদের অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে সরাসরি সহযোগিতা করছে ইরান। কিন্তু তেহরান সে অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
সূত্র: ডন।





