জমজ শিশুদের নিয়ে ভালোই কাটছিলো দম্পতির। ঝামেলা বাধায় প্রতিবেশিরা। দুই শিশুর আচার আচরণ কেমন যেন দিন দিন আলদা হতেই থাকছে। সন্দেহ দানা বাধে ওই দম্পতিরও। হাসপাতালে আবার পরিবর্তন হয়ে গেল নাতো? এ নিয়েই শুরু হয় পরীক্ষা নিরীক্ষা। কিন্তু হায়! কেচো খুড়তে গিয়ে বেরোলো সাপ!
পরীক্ষায় বিজ্ঞানিরা নিশ্চিত বলেছেন, এই দুই বাচ্চার মা একজন হলেও বাবা আলাদা। একই গর্ভে বেড়ে ওঠা ২ সন্তানের রক্তে ক্রোমোজোম ভিন্ন। বিরল এই ঘটনাটি ঘটেছে ভিয়েতনামের হোয়ে বিন প্রদেশে।
এ ঘটনায় কিন্তু রীতিমতো অবাক বিজ্ঞানীরাও। তবে তারা বলছেন, বিষয়টি অসম্ভব নয়। বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে বলে ‘বাইপেরেন্টাল টুইন’।
শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের মতে, ‘যমজ সন্তানের মা নিশ্চয়ই অল্প সময়ের ব্যবধানে ২ পৃথক ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে আবদ্ধ হয়েছিল।’
বিজ্ঞানীদের দাবি, শুক্রানুর আয়ু ১০ দিন। তাই অল্প সময়ের ব্যবধানে ২ পুরুষের সঙ্গে মিলিত হলে দুটি ডিম্বানু আলাদা আলাদাভাবে নিষিক্ত হতেই পারে।
এমই





