বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি) অস্ট্রেলিয়া শাখার উদ্যোগে গত ১৩ জুলাই ২০১৫ রবিবার সিডনি লেকেম্বাস্থ রিমেম্বারেন্স হলে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠান শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলোওয়াত করেন মাওলানা ফেরদৌস। এরপরে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি তারেক রহমান এবং মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর জন্য দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন শাইখ রেদোয়ান। 
আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ত্ব করেন বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার আহবায়ক জনাব হুমায়ের রানা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক ছাত্রনেতা জনাব রাশেদুল হক।
প্রধান অতিথি ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার প্রভাবশালী সিনেটর স্যাম ডেস্ট্রেয়ারি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ড সহ সকল পরিস্থিতি সম্পর্কে অস্ট্রেলিয়া অবগত। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার উন্নয়নে বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সয়াহতা করবে অস্ট্রেলিয়া।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সিডনি সিটি অফ ক্যান্টারবেরির মেয়র ব্রায়ান রবসন। তিনি বাংলাদেশী কমিউনিটি ও অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সকল নেতাকর্মীকে রমজান ও ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর মাইকেল হাওয়ার্ট, অস্ট্রেলিয়ান লেবার পার্টির নেতাহ্যারিস বালাজি ও কাউন্সিলর জনাব রাজ দত্ত।
সভাপতির বক্তব্যে জনাব হুমায়ের রানা বলেন, পবিত্র রমজান মাস ও পবিত্র শব এ কদর দোয়া কবুল হওয়ার জন্য সম্ভাবনাময় সময়। এইসময় তিনি সকলকে বাংলাদেশের নির্যাতিত নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনসাধারণের জন্য দোয়া করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানান।
অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক মোঃ আরিফুল হক বলেন, ঈদের মাত্র কয়েকদিন বাকি, কিন্তু বাংলাদেশে আমাদের অনেক নেতাকর্মী এখনো কারাগারে, পরিবার বিহীন অবস্থায় আছে। মহান আল্লাহপাক তাদের প্রতি রহমত করুন।
এরপরে বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির যুগ্ন-আহবায়ক ব্যারিস্টার নাসিরুল্লাহ। তিনি বলেন, এই অবৈধ আওয়ামীলীগ সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলে জনগণের কাছে জবাবদিহিতার কোন দুশ্চিন্তাও তাদের নেই। তারা এখন শুধুমাত্র পুলিশ, র্যাব ও অন্যান্য সরকারী বাহিনীগুলোর কাছে দায়বদ্ধ। যুগ্ন-আহবায়ক নাফিস আহমেদ বলেন, কিন্তু রাষ্ট্রের মালিক যে জনগণ তাদের কাছে একদিন না একদিন আওয়ামীলীগকে অবশ্যই যেতে হবে। সেদিন বাংলার সাধারণ মানুষ তাদের উপযুক্ত জবাব দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে।
আরো বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সদস্য সচিব ও সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ রাশেদুল হক। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আজ অসহায় এক জাতিতে পরিনত হয়েছে। তাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। জালিয়াতি আর দূর্নীতি সীমা ছাড়িয়েছে। তার প্রমান সম্প্রতি আওয়ামী সরকারের গম কেলেংকারী।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন,বিএনপির যুগ্ন-আহবায়ক আশরাফুল হক, নাফিজ আহমেদ, সিনিয়র বিএনপি নেতা জনাব হাফিজুর রহমান, মেজর মান্নান, যুগ্ন-আহবায়ক হায়দার আলি, জয় আহমেদ সুলতান, নিয়াজ শওকত, বিশ দলীয় জোটের সমন্নয়ক জনাব খালিদ সাইফুল্লাহ, বিএনপি নেতা রাকিবুল আলম মিয়া অপু, অস্ট্রেলিয়া যুবদল সভাপতি আসাদুল হক বাবু, সহ-সভাপতি আখতারুজ্জামান রাশেদ, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম দীপু।
এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল আলিম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাসেম আলি ও আরিফুলইসলামআকাশ,সমাজকল্যানবিষয়কসম্পাদকমোঃশিশিররহমান, সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ ফারুক, মোঃ আসাদ, মোঃমাসুদআলম,মোঃনুরুল হক, মোঃহাছানআলি, মোঃদিনইসলাম রতন, মোঃআব্দুলহামিদ, শহীদুল হক, মোঃ রফিকুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবু আশরাফ বাপ্পি, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি মশিউর রহমান তুহিন, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইসতিয়াক আহমেদ আদনান, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা আবিদা আসোয়াদ। আরো উপস্থিত ছিলেন এনামুল হক, লুতফর রহমান, আবুল হোসেন, মাসুদ সরকার, মোঃ হাছান আলি, আবির হাছান সহ সর্বস্তরের কর্মীবৃন্দ।
ইআর





