আমেরিকা যাওয়ার পথে ধর্ষণের শিকার হন ৮০ ভাগ নারী ও শিশু। এই প্রতিবেদন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের। আর এটা এতটাই প্রকট হয়ে গেছে যে ধর্ষিত হওয়ার আগেই অনেক নারী জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহার করেন।

মধ্য আমেরিকার দেশগুলো থেকে প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ উন্নত জীবনের আশায় পাড়ি জমায় স্বপ্নের দেশ আমেরিকায়। আর যাওয়ার পথেই তারা এই অবধারিত অঘটনের শিকার হয়। মধ্য আমেরিকার দেশগুলো থেকে মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার পথেই এ ধর্ষণের শিকার হন তারা।

তথ্য অনুযায়ী, শুধু এ বছরই প্রায় ৭০ হাজার কিশোর-কিশোরী অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার চেষ্টা করে। এদের অধিকাংশই মধ্য আমেরিকার এল-সালভাদর, গুয়েতেমালা ও হন্ডুরাসের।
অ্যামনেস্টির স্টাডি মতে, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ পশ্চিম সীমান্তে পাকড়াও হওয়াদের মধ্যে বালিকার সংখ্যা অনেক বেশি। গত মে’তেই ধরা পড়া কিশোরীর সংখ্যা আগের থেকে ৭৭ শতাংশ বেশি।
যৌন হয়রানির ভয়ে এসব অল্প বয়সী কিশোরী ঘর ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের পথে পা বাড়ায়। অথচ স্বপ্নকে ছুঁতে যাওয়ার পথেই তারা সে সর্বনাশের শিকার হন। যা অনেকটা আগে থেকেই জানা থাকে তাদের, কিন্তু কিছুই করার থাকে না। আক্রান্ত হওয়ার দুঃস্বপ্ন বুকে নিয়েই ভয়সঙ্কুল দীর্ঘ পথে তারা পা বাড়ান।

আরও ভয়ঙ্কর হলো, নিপীড়তদের সংখ্যা সব সময় বাস্তবে তুলে ধরে সম্ভব হয় না। কেননা নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে ভয়ে অনেকেই ধর্ষিত হওয়ার বিষয়টি চেপে যান।

ফিউশন নামে একটি গবেষণা সংস্থার মতে, যদি সঙ্গী বিহীন অবস্থায় তারা পথে না বের হতো তাহলে তাদের এই ভাগ্য বরণ করতে হতো না। কখনো কখনো ঘুষের টাকা যোগাড় করার জন্যেও তাদেরকে শরীর বিক্রি করতে হয় বলেও জানায় ফিউশন।

ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ