ইরানের তেল রফতানি নিষেধাজ্ঞা-পূর্ব অবস্থায় পৌঁছালে সৌদি আরবকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের উত্তোলন কমাতে হবে। ইরানের ন্যাশনাল ইরানিয়ান ওয়েল কোম্পানি বা এনআইওসি’র ওপেক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সাবেক মহা ব্যবস্থাপক ফেরেইদুন বারকেশেলি এ কথা বলেছেন।
আজারবাইজানের ট্রেন্ড সংবাদ সংস্থাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি। বারকেশেলি বর্তমানে বেসরকারি জ্বালানি উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। এ ছাড়া ভিয়েনা জ্বালানি গবেষণা গোষ্ঠীর সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন তিনি।
ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচির সামরিক লক্ষ্য রয়েছে বলে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে ২০১২ সালে তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত পরমাণু চুক্তি সই করার জন্য ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে যখন তেহরানের আলোচনা চলছে তখন এ মন্তব্য করলেন ফেরাইদুন বারকেশেলি।
ইরানকে স্থান করে দেয়ার জন্য সৌদি আরব তেল উৎপাদন কমাবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, অতি মাত্রায় অপরিশোধিত তেল উত্তোলনে সৌদি আরবের তেল ক্ষেত্র চাপের মুখে রয়েছে বলে রিয়াদ এতে সহযোগিতা করবে।
চূড়ান্ত পরমাণু চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর বিশ্বের তেলের বাজারে ইরানকে স্থান করে দেয়ার জন্য ওপেকভুক্ত অন্যান্য দেশকেও অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের উৎপাদন কমাতে হবে বলে তেহরান এর আগেই ঘোষণা করেছে। রেডিও তেহরান
ইআর





