এ ব্যাপারে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জুন) নিজের সমর্থকদের ইমরান খান এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘আমার পাকিস্তানিদের ঈদের শুভেচ্ছা। এটি আমার জন্য সবচেয়ে কষ্টের ঈদ। আমাদের প্রায় ১০ হাজার কর্মীকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে এবং তাদের সঙ্গে অপরাধীর ব্যবহার করা হচ্ছে— শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণভাবে সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করায়।’
পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান আরও বলেছেন, ‘আমাদের সাহসী নেতা— ডাক্তার ইয়াসমিন রশিদ এবং আলিয়া হামজার মতো নারী নেত্রীরা জেলে আছেন এবং পিটিআই ছাড়তে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। আমাদের ১৬ কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে; আশঙ্কা করা হচ্ছে আরও ৮ জনকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু তাদের মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না কারণ, পুলিশের ভয়ে তাদের আত্মীয়-স্বজন পালিয়ে গেছেন।’
এছাড়া গত ৯ মে সারাদেশে যে বিক্ষোভ হয়েছে, সেগুলোর সব দায় একপেশিভাবে পিটিআইয়ের ওপর চাপানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইমরান খান। পিটিআই যেন নির্বাচনে অংশ নিতে পারে, সেজন্যই এসব করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ইমরান খান আরও জানিয়েছেন, এই কালো অধ্যায়ের অবসান শেষে পিটিআই আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে ফিরবে।
সূত্র: এনডিটিভি
এনএইচ





