যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে অবরোধ আরোপের প্রতিবাদে ইরান ভবিষ্যত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অস্ত্র সম্বৃদ্ধ করবে এক ঘোষণায় বলেছেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ ।
ইরানের ব্যলাস্টিক মিসাইল উন্নয়নের সাথে জড়িত এমন অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দুটি কোম্পানির ওপর এই অবরোধ আরোপ করতে যাচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জারিফ জানান, ইরানের মিসাইল সক্ষমতা অর্জনের জন্য কোনো ধরণের নিষেধাজ্ঞা নেই। কারণ এই কার্যক্রমে পারমাণবিক অস্ত্রের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।
তিনি বলেন, ‘মিসাইল কার্যক্রমের বিরুদ্ধে মার্কিন অবরোধের জবাব আমরা দেব। সামনে সময়ে আমাদের মিসাইল শক্তি বৃদ্ধি করা হবে।’
দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে দেশটির রাষ্ট্রপতি হাসান রুহানি সঙ্গে জারিফ পাকিস্তানে রয়েছেন। পাকিস্তানে থেকেই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে এসব কথা জানান তিনি।
গত ডিসেম্বরে, ইরানের প্রতিরক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হোসেইন দেকানকে বিভিন্ন ধরণের মিসাইল প্রযুক্তির উন্নয়নের নির্দেশনা দেন রাষ্ট্রপতি রুহানি।
এর ঠিক তিনমাস পরই মার্চের ৮ ও ৯ তারিখ ইরান দীর্ঘ পাল্লার মিসাইল কাদার ও কায়িমের পরীক্ষা চালায়। সামরিক মোহড়ার সময় এই মিসাইলা পরীক্ষা চালায় ইরান।
এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার, শহিদ নুরি ও শহিদ মুবাহেদ কোম্পানিকে মিসাইল পোগ্রামে সরাসরি সংযুক্ত থাকার অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
গতবছর জুলাই মাসে ইরান যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য শক্তিশালী রাষ্ট্রের সঙ্গে ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি করে। তবে সেই চুক্তিতে কিছু বিষয়ের সম্পূর্ণ নিষ্পত্তি হয়নি। তার মধ্যে একটা হচ্ছে এই ব্যালাস্টিক মিসাইলের বিষয়টি।
ইরান দাবি করছে পারমাণবিক চুক্তির সঙ্গে এই মিসাইলের কার্যক্রমের কোনো সম্পর্ক নেই।
অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্র রাষ্ট্ররা বলছে জাতিসংঘের নিয়ম ভঙ্গ করে ইরান এই মিসাইল পরীক্ষা চালিয়েছে। সূত্র- আলজাজিরা,
এমবি





