আজ ৬ আগস্ট (শনিবার) নির্মম ইতিহাসের হিরোশিমা দিবস। যেই দিবস শুধু দিতে পারে কান্না আর বিশ্ব বিবেককে বৃদ্ধাঙ্গুলি। ইতিহাসে মানুষগুলোর হিংস্রতা আর বর্বরতার নির্মম সাক্ষী এই হিরোশিমা দিবস।যেই বর্বরতার হিসাব দিতে গিয়ে জাপানের হিরোশিমা আজও পর্যন্ত স্বাভাবিক শিশূ জন্ম দিতে পারে না।
১৯৪৫ সালের এদিনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্তিমলগ্নে মার্কিন বাহিনী জাপানের হিরোশিমায় এবং ৯ আগস্ট নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা হামলা করে প্রায় কয়েক লাখ নিরীহ, ঘুমন্ত অসহায় শিশু-নারী-পুরুষ, বেসামরিক মানুষ হত্যা করে।
পৃথিবীর ইতিহাসে এটি একটি জঘন্যতম হামলা। এই হামলায় চোখের পলকে উল্লেখিত স্থানদুটি মৃত্যুপুরিতে পরিণত হয়। নিরীহ, ঘুমন্ত অসহায় শিশু-নারী-পুরুষ, বেসামরিক মানুষকে হত্যা করা ছাড়াও কয়েক লাখ মানুষ চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করে। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তিপ্রিয় মানুষ নানা অনুষ্ঠান আয়োজন করে। বাংলাদেশেও বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে দিবসটি পালন করবে।
বাংলাদেশ শান্তি পরিষদ দিবসটি উপলক্ষে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে এক আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।
এছাড়া পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিন বেল্ট ট্রাস্ট সন্ধ্যা ৬ টায় শাহবাগ চত্বরে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী শান্তি সমাবেশের আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে গুলশান ও শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলায় নিহতের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও ফানুস উড়ানোসহ বিশ্ব শান্তি রক্ষার আহবানে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।
জেড





