গাজায় ইসরায়েলি হামলার ১২তম দিনে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে অস্ত্রবিরতিতে জাতিসংঘের নেয়া উদ্যোগ জোরদার করতে সংস্থাটির মহাসচিব বান কি মুন ওই অঞ্চলের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন।

গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক এ সংঘাতের ১২তম দিনে ইসরায়েল গাজা উপত্যকার অভ্যন্তরে স্থল অভিযান আরো তীব্র করার প্রস্তুতি নিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা গাজার রকেট নিক্ষেপের বিরুদ্ধে ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকার সমর্থন করলেও অনেক নারী ও শিশুসহ বিপুল সংখ্যক বেসামরিক নাগরিকের প্রাণহানি হওয়ায় এ অভিযান এড়াতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানান।

গাজা উপত্যকায় স্থল ও আকাশ পথে ইসরায়েলি হামলা সত্ত্বেও হামাস তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। তবে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস অস্ত্রবিরতি আলোচনার জন্য মিশর ও তুরস্ক সফর করেছেন।

ফিলিস্তিনের হাসপাতাল সূত্র জানায়, আজ শনিবার ভোরে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহরে একটি মসজিদের বাইরে এক বিমান হামলায় এক নারীসহ সাতজন নিহত হয়।

গাজা উপত্যকায় বিমান হামলার পাশাপাশি স্থল অভিযান আরো তীব্র করার প্রস্তুতি নিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী- এএফপি

এদিকে জাতিসংঘের রাজনীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জেফ্রি ফেল্টম্যান নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠকে বলেছেন, 'বান কি-মুন সহিংসতা বন্ধ এবং সংকট উত্তরণের উপায় খুঁজে বের করতে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি নেতাদের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করতে সহায়তা করবেন।'

জাতিসংঘে ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি  উভয়পক্ষের রাষ্ট্রদূতরা সহিংসতার জন্য পরস্পরকে দোষারোপ করেছেন।

ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত রন প্রসর বলেন, অপর কোনো দেশই তার নিজ নাগরিকের ওপর 'সন্ত্রাসী' রকেট হামলা 'বরদাশত' করবে না।

অন্যদিকে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত রিয়াদ মুনসুর নিরাপত্তা পরিষদে নারী ও শিশুসহ নিহত ফিলিস্তিনিদের নাম পড়ে শোনান।

গাজা থেকে রকেট হামলা বন্ধে অভিযানের দশম দিনে গত বৃহস্পতিবার ইসরায়েল স্থল হামলা শুরু করলে বহু লোক নিহত হয় এবং হাজার হাজার লোক বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।

ঢাকা, ১৯ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএইচ