বৈধভাবে সৌদি আরব যাওয়ার পরও কেউ কাজ পাচ্ছেন না। ফলে প্রায় ৫ মাস ধরেই বিভিন্ন স্থানে অবরুদ্ধ জীবন যাপন করছেন ১৮ জন বাংলাদেশি শ্রমিক। যাদের বেশির ভাগই পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা রিক্রুটিং এজেন্সির হাতে দিয়ে গিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার রিয়াদের কামরান খালিজ নামে একটি আবাসিক হোটেলে আটকে থাকা এসব শ্রমিকেরা টেলিফোনে জানান, তারা দিনের পর দিন সৌদিতে বেকার বসে আছেন। এখন পর্যন্ত কোথায় তাদের কাজ দেয়া হবে বা আদৌ তাদের নামে আকামা বের হবে কি না সে ব্যাপারে দূতাবাস বা রিক্রুটিং এজেন্সি তুর্কি অ্যাসোসিয়েটের মালিক সাহাবুদ্দিন কিছুই বলছেন না।
তিনি শুধু খাবারের টাকা অথবা বাজার পাঠিয়ে বলছেন, ‘এক সপ্তাহের মধ্যেই তোমাদের সবার আকামা বের হয়ে যাবে’। এ কথা তিনি গত ৫ মাস ধরেই বলছেন বলে অভিযোগ তাদের।
শ্রমিকদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে এজেন্সি মালিক সাহাবুদ্দিনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার মোবাইলে সংযোগ পাওয়া যায়নি। শ্রমিকেরা জানান, তিনিও সৌদিতে আছেন।
বর্তমানে ওই হোটেলে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছেন- সাইদুল, জুয়েল, রফিক, শামীম, জিয়ারুল, মোজাম্মেল, জুনায়েদ, জাহাঙ্গীর, সেলিম, মহসীন, আরিফ, সানাউল্লাহ, রিপন ও দিদারুল হক।
বাকি তিনজনকে এজেন্সির মালিক ভুয়া আকামা দিয়ে কাজ দিয়েছেন। তাদেরকেও ভুয়া আকামা দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা কেউ রাজি হননি বলে ভুক্তভোগী শ্রমিকদের অভিযোগ।
তবে এ ব্যাপারে দূতাবাসের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এমএনজে





