‘ইসলামি জিহাদ’ আন্দোলনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও ইহুদিবাদী ইসরাইল আবারও ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা চালিয়েছে।
পাল্টা জবাব দেয়ার জন্য ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর প্রতি সাধারণ মানুষ জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন।
ইসরাইলের সামরিক বাহিনী শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) সকালের দিকে ঘোষণা করেছে যে, তারা ‘ইসলামি জিহাদ’ আন্দোলনের বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় আহত দুজনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিমান হামলার মধ্য দিয়ে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি বানচালের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) ইসরাইলের বিমান হামলায় ‘ইসলামি জিহাদ’ আন্দোলনের শীর্ষ কমান্ডার বাহা আবু আল-আতা নিহত হওয়ার পর সংগঠনটি ইসরাইলের অভ্যন্তরে পাল্টা হামলা চালায়। এই হামলায় ‘ইসলামি জিহাদ’ আন্দোলন দুই দিনে ৪০০’র বেশি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে প্রচণ্ড প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
জিহাদ আন্দোলনের হামলায় ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিবসহ বিরাট অংশ কার্যত অচল হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মিশর যুদ্ধবিরতি কার্যকরের উদ্যোগ নেয় এবং ‘ইসলামি জিহাদ’ আন্দোলনের কয়েকটি শর্ত মেনে নিয়ে ইসরাইল যুদ্ধবিরতি কার্যকর করে।
সংঘর্ষ শুরুর পর দিনই বুধবার (১৩ নভেম্বর) হামাসের কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল যুদ্ধবিরতি না করলে তারা ‘ইসলামি জিহাদ’ আন্দোলনের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে আগ্রাসন মোকাবেলা করবে।
এরপর গতকাল (১৪ নভেম্বর) সকালে ‘ইসলামি জিহাদ’ আন্দোলন ঘোষণা করে- তাদের শর্ত মেনে নিয়ে ইসরাইল যুদ্ধবিরতি কার্যকর করেছে। মিশর এবং ইসরাইলও পরে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের কথা ঘোষণা করে। এরপরও আজ (১৫ নভেম্বর) ইহুদিবাদী শক্তি ফিলিস্তিনের অসহায় মানুষদের উপর বিমান হামলা চালালো।
এমবি





