যুদ্ধ বিধ্বস্ত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে হাজার হাজার মানুষ ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন। মেসিডোনিয়ার সরকারের কঠিন সিদ্ধান্তে পুলিশ বাহিনীর হামলায় অমানুষিক কষ্টের শিকার হচ্ছেন তারা।
গ্রিস থেকে মেসিডোনিয়ায় প্রবেশকালে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন হাজার হাজার শরণার্থীরা। তাদেরকে ফিরিয়ে দিতে পুলিশ স্টান গ্রেনেড ছুঁড়েছে।
শনিবার দ্বিতীয় টানা দ্বিতীয় দিন মেসিডোনিয়ার পুলিশ অসহায় মানুষদের উপর স্টান গ্রেনেড মেরেছে এবং তাদের উপর হামলা চালিয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিনিধি জোনাহ হাল বলেছেন যে গ্রিক সীমান্ত এলাকায় অন্তত সাতটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন তিনি।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, শরণার্থীরা কাটাতারের বেড়া পাড় হতে চেষ্টা করলে সীমান্ত রক্ষীরা তাদেরকে থামানো চেষ্টা করে।
বৃহস্পতিবার মেসিডোনিয়ার সরকার সীমান্ত বন্ধ করে দিলে গ্রিস ও মেসিডোনিয়ার মাঝখানে নো-ম্যানস ল্যান্ডে হাজার হাজার শরণার্থীরা অবস্থান করছেন। তার সবাই বৃষ্টিতে ভিজে খাওয়া-দাওয়া ছাড়া এক অমানবিক জীবন পার করছেন।
শুক্রবার রাত বাচ্চাদেরসহ থাকা ছোট পরিবারগুলোকে সীমানা পার হতে দিয়েছে পুলিশ। সেখান থেকে তারা মেসিডোনিয়ার গ্যাভজেলিজা শহরের রেল স্টেশনের দিকে গিয়েছেন। রেলে সার্বিয়া হয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্র হাঙ্গেরির দিকে পাড়ি জমান তারা।
নারী ও শিশুদেরসহ যারা রাতে সীমান্ত পার হতে পারেননি, তারা খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থেকে অনাহার অবস্থায় সারা রাত বৃষ্টিতে ভিজেছেন।

জেডআই





