কম্বোডিয়ান পুলিশকম্বোডিয়ার একটি বারে অভিযান চালিয়ে ১০ বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। শনিবার দেশটির সেন্ট্রাল ফ্যানম ফেন এলাকার একটি বারে এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেফতারকৃত বাংলাদেশিদের মধ্যে একজন পাচারকারী চক্রের হোতা ও একজন পাচার হওয়া ব্যক্তি রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। সোমবার দ্য কম্বোডিয়া ডেইলির খবরে এ তথ্য জানা গেছে।
রবিবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিবাসন শাখার তদন্ত বিভাগের প্রধান ইউকে হেইসলা জানান, শনিবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে শহরের ৬৩ নম্বর রোডের স্থানীয় ইউরো বারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় বারের মালিক আলম মনিরুলসহ ৯ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরও জানান, মনিরুল ওই ৯ বাংলাদেশিকে অবৈধভাবে আটক রেখেছিলেন। দুই দিন আগে বার থেকে পালিয়ে যাওয়া অপর এক বাংলাদেশির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এ অভিযান চালানো হয়েছিল।
মেজর জেনারেল হেইসেলা জানান, ৯ বাংলাদেশি গত ২৯ মার্চ বৈধ পাসপোর্ট ও ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে কম্বোডিয়া আসেন। এখান থেকে তারা মালয়েশিয়া যাওয়ার সুযোগ খুঁজছিলেন। কিন্তু মনিরুল কৌশলে তাদের পাসপোর্ট রেখে দিয়ে দেশে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ দাবি করে আসছিলেন।
হেইসেলা বলেন, বাংলাদেশিদের বয়স ২৪ থেকে ৪২ বছরের মধ্যে। মনিরুলকে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য তারা প্রত্যেকে সাড়ে চার হাজার করে ডলার দিয়েছেন। তবে মনিরুল আমাদের বলেছেন, এদের মধ্যে তিনজন তাকে মোট ২ হাজার ৪৭০ ডলার দিয়েছেন।
কর্মকর্তা জানান, কম্বোডিয়ায় আটকে পড়া ৯ বাংলাদেশিকে নিজ খরচে পাঠানো হবে। মনিরুলকে সোমবার আদালতে হাজির করা হবে। মিরাজ নামে আরেক সন্দেহভাজন রিংলিডার কম্বোডিয়া থেকে মালয়েশিয়া পালিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন বলে তারা ধারণা করছেন।





