নেপাল সরকার বলছে, ভূমিকম্পের এক সপ্তাহ পরেও বিদেশি দাতাদের প্রতিশ্রুত কোনো অর্থ তারা পায়নি।

দেশটির অর্থমন্ত্রী রাম শরণ মাহাত বলেছেন, তারা হেলিকপ্টার আর ত্রাণ পেয়েছেন, কিন্তু টাকা নয়।
এখন জরুরি ভিত্তিতে আশ্রয় সরঞ্জাম আর অর্থপেডিক চিকিৎসক দরকার বলে মন্ত্রী জানান।

অর্থমন্ত্রী জানান, নেপালের পুনর্গঠনের অন্তত ২০০ কোটি ডলার দরকার। এদিকে, জাতিসংঘ নেপালের জন্য ৪১ কোটি ডলারের সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে।

এদিকে নেপালে শনিবারের ভূকম্পে নিহতের সংখ্যা ৬,৬২১ জনে দাঁড়িয়েছে।আহত হয়েছে ১৪,০২৩ জন। নিহতের সংখ্যা ১০,০০০-১৫,০০০ হতে পারে বলে জানিয়েছেন নেপালের সেনাপ্রধান গৌরভ রানা।

প্রতিটি নিহতের পরিবারকে ১৪০০ ডলার বা প্রায় ১ লাখ ৯ হাজার টাকা সহায়তা দিচ্ছে নেপাল সরকার।

এদিকে ৭.৮ মাত্রার ওই ভূমিকম্পে নেপালের ৮০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত এবং ২০ লাখ মানুষ উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়েছে।

এর আগে নেপালের একজন মন্ত্রী স্বীকার করেছেন যে, ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে তাদের প্রস্তুতি যথেষ্ট ছিল না।
ভূমিকম্পের পর থেকে দেশটিতে এক হাজারের বেশি ইউরোপীয় নাগরিক নিখোঁজ রয়েছে।
তাদের অবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার কোনো ধারণা না থাকলেও, তারা নিরাপদ রয়েছে বলেই কর্তৃপক্ষ আশা করছে।

তারা নেপালে পর্যটক হিসাবে এসেছিলেন, যাদের বেশিরভাগই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের কাছাকাছি হিমালয় অঞ্চলে ট্রেকিং করছিলেন।

১২ জন পর্যটকের নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেলেও, প্রত্যন্ত অঞ্চল হওয়ায় সেখানকার সঠিক চিত্র পাওয়া যাচ্ছে না। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স, ভয়েস অব আমেরিকা

ইআর