লেবাননে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দ্বিতীয় দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা বলছেন, মানুষের আর্থিক সামর্থ্য ও জীবনমান ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। এই জন্য তারা প্রধানমন্ত্রী সা'দ হারিরি’র নেতৃত্বাধীন সরকারের দুর্বল ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছেন।
শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এবং পার্লামেন্ট ভবনের কাছে বিক্ষোভ করেছে হাজার হাজার মানুষ। এসময় তারা সরকারবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয়। শুধু প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর নয় তার আবাসিক ভবনের সামনেও কিছু লোক বিক্ষোভ করেছে।
গণবিক্ষোভের কারণে কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া তাদের দূতাবাস বন্ধ ঘোষণা করেছে।
দু’টি দেশের পক্ষ থেকেই বলা হয়েছে, পরিস্থিতি শান্ত না হওয়া পর্যন্ত দূতাবাস বন্ধ থাকবে।
এছাড়া, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের পক্ষ থেকে নিজ নিজ দেশের নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল (বৃহস্পতিবার) থেকেই রাজধানী বৈরুতসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ শুরু হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়া আল হাসান বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়িয়ে চলতে নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজই লেবাননের প্রেসিডেন্ট মিশেল আউনের সভাপতিত্বে মন্ত্রিরা জরুরি বৈঠকে বসে জনগণের দাবি পর্যালোচনা করে দেখবেন বলে কথা রয়েছে।
এমবি





