ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব থেকে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের উদ্দেশে ছেড়ে গিয়েছিল একটি ব্যক্তিগত বিমান। কিন্তু রহস্যময় ব্যাপার হলো, ওই বিমানে কে বা কারা ছিলেন, এ ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি।
গত মঙ্গলবার ইসরায়েলের গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে বিমানটি রিয়াদের উদ্দেশে রওনা দেয়। এর মধ্যে জর্ডানের রাজধানী আম্মামে কিছু সময় অবস্থান করেছিল বিমানটি।
বিমান শনাক্তকরণ উপাত্তে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ব্যক্তি মালিকানাধীন বিমানটি সৌদি আরবের রাজধানীতে আধঘণ্টার মতো ছিল। পরে সেটি আবারও বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে ফিরে যায়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মার্ক এসপার ওই সময়ে রিয়াদ সফর করেছেন। এমন একটি সময়ে বিমানটি ইসরায়েল থেকে সৌদিতে উড়াল দেওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানা রকম ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিকদের মনেও তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। ধারণা করা হচ্ছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অথবা দেশটির অন্য কর্মকর্তারা রিয়াদে কোনো বৈঠকে অংশ নিয়েছেন।
সংবাদমাধ্যম মারিভ ডেইলির লেখক ইয়োসি ম্যালমান এক টুইটবার্তায় বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অথবা মোসাদের গুপ্তচর প্রধান ইয়োসি কোহেন হয়তো ওই বিমানে করে রিয়াদ সফর করেছেন। সিরিয়া পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে তাঁরা সেখানে গিয়ে থাকতে পারেন।’
ইসরায়েলের গোয়েন্দাবিষয়ক সংবাদের ওয়েবসাইট ইনটেলিটাইম লিখেছে, ‘এর মাধ্যমে ব্যাখ্যা পাওয়া যায় যে, কেন নেতানিয়াহু একটি সরকার গঠনে প্রেসিডেন্ট রৌভিন রিভলিনকে ম্যান্ডেট ফিরিয়ে দিতে দেরি করেছিলেন। জর্ডান থেকেও কেন অন্য যাত্রীদের বিমানে তুলে নেওয়া হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।’
ফ্লাইটরাডার ২৪ ওয়েবসাইটের খবরে জানা গেছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ওই বিমানটি ইসরায়েল থেকে কায়রোতে বেশ কয়েকবার ভ্রমণ করেছে।
এমআর





