বুথফেরত জরিপ বলছে ঝুলন্ত পার্লামেন্টের দিকে ধাবিত হচ্ছে ইতালি। রোববার অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে কোনো দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বেরলুসকোনি যে কারিশমা দেখাতে চেয়েছিলেন তাতে তিনি কিছুটা সফলতার দিকে যাচ্ছেন। তবে তার জোটকে ক্ষমতায় যেতে হলে অন্য কোনো দলের কাঁধে ভর দিতে হবে।

ইতালিতে সরকার বিরোধী ফাইভ-স্টার মুভমেন্টকে ঠেকাতে মধ্য-ডানপন্থি জোট গঠন করেন বেরলুসকোনি। তার দল ফোরজা ইতালিয়া’র সঙ্গে যোগ দেয় উগ্র ডানপন্থি লীগ অ্যান্ড ব্রাদ্রার্স অব ইতালি।

বুথফেরত জরিপে দেখা যাচ্ছে বেরলুসকোনির জোট রয়েছে সবচেয়ে এগিয়ে। তারপরে রয়েছে ফাইভ স্টার মুভমেন্ট। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন রাই ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল লা ৭ টেলিভিশনে রোববার ভোট শেষ হতেই বুথফেরত জরিপের রিপোর্ট এসব ইঙ্গিতই দিচ্ছি।

সিলভিও বেরলুসকোনি নিজে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন নি। তবে তিনি চেয়েছিলেন কারিশমা দেখিয়ে সরকার গঠন করাবেন তার জোটকে দিয়ে। আর সেক্ষেত্রে নাটের গুরু থাকবেন তিনিই। নির্বাচনে ভোট দেয়ার পরই বেরলুসকোনির সামনের টেবিলে লাফিয়ে ওঠেন এক টপলেস যুবতী। নির্বাচন বা ভোট নয়, পশ্চিমা মিডিয়ায় বিষয়টি লুফে নেয়। তা নিয়ে ফলাও করে রিপোর্ট প্রকাশ করে। নির্বাচন নিয়ে লন্ডনের

অনলাইন ডেইলি মেইল লিখেছে, ইতালিতে এ যাবত যত নির্বাচন হয়েছে তার মধ্যে রোববারের ভোট ছিল অন্যতম অনিশ্চিত এক নির্বাচন। এতে ধরে নেয়া হয়েছিল উগ্র ডানপন্থি ও জনপ্রিয় দলগুলো বড় ধরনের অর্জন করবে। আর সে জন্যই সামনের কাতারে নিয়ে আসা হয় বেরলুসকোনিকে। তিনি আয়কর ফাঁকি দেয়ার কারণে অভিযুক্ত হয়েছেন। ফলে তিনি সরাসরি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন নি। তবে প্রার্থী মনোনয়নকে সমর্থন দিয়েছেন।

জেড