মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি শনিবার মিশর সফর করছেন। জিহাদি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বৃহত্তর জোট গঠনই তার এ সফরের লক্ষ্য।

মধ্যপ্রাচ্য সফরের অংশ হিসেবে মিশর সফরকালে কায়রোতে আরব লীগ প্রধান নাবিল আল আরাবির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন কেরি ।

আইএস’র বিরুদ্ধে বৃহত্তর জোট গঠতে তিনি এ পর্যন্ত সৌদি আরব ও কাতারসহ ১০টি আরব দেশের সমর্থন আদায় করতে সক্ষম হয়েছেন। তবে শুক্রবার তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটে ইরানের যোগদানের কথা নাকচ করে দেন।

শুক্রবার সিআইএ বলেছে, ইরাক ও সিরিয়ায় আইএসের প্রায় ৩০ হাজার যোদ্ধা রয়েছে।

আইএস যোদ্ধারা গত কয়েক মাসে সিরিয়া ও ইরাকের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে ইসলামি খেলাফত ঘোষণা করেছে। ইরাকে আইএস'র বিরুদ্ধে আমেরিকার বিমান হামলার প্রতিবাদে গত মাসে দেশটিতে দুই মার্কিন সাংবাদিকের শিরশ্ছেদ করেছে সংগঠনটি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বুধবার তার ভাষণে আইএসের বিরুদ্ধে মার্কিন অভিযান জোরদারের ঘোষণা দেন।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকির মুখে ফেলা আইএস যেখানেই থাকুক তাদের খুঁজে বের করার অঙ্গিকার করেন।

আইএস’র বিরুদ্ধে বৃহত্তর জোট গঠনে মিশর, ইরাক, জর্ডান, লেবানন, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত স্বাক্ষর করেছে।

শনিবার কায়রোতে আরব লীগ প্রধান নাবিল আল আরাবির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন কেরি। আইএস’র বিরুদ্ধে জোট কিভাবে কাজ করবে তা নিয়ে তারা আলোচনা করবেন।

শুক্রবার তুরস্কে বক্তৃতাকালে কেরি বলেন, সিরিয়া ও অন্যান্য স্থানে ইরানের ‘অংশগ্রহণের’কারণে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটে তেহরানের যোগদান যথোপযুক্ত হবে না।

সিরিয়ায় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদকে সমর্থন দিচ্ছে ইরান। অন্যদিকে, আসাদকে উৎখাতে যুদ্ধরত বিদ্রোহীদের সমর্থন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ও উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশ।

আইএস’র বিরুদ্ধে যুদ্ধে তুরস্ক সরকারের কাছ থেকে আরো সহযোগিতা পাওয়া লক্ষে শুক্রবার দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেফ তায়িফ এরদোগান ও প্রধানমন্ত্রী আহমেদ দাভুতোগলুর সঙ্গে বৈঠক করেন কেরি।

তুরস্ক অবশ্য জিহাদিদের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে তাদের বিমান ঘাঁটি ব্যবহার করতে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

এদিকে আইএস’র বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে ফ্রান্স। সূত্র: আইআরআইবি

ঢাকা, ১৩ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ