ব্রিটেনের ম্যানচেস্টারে মার্কিন শিল্পী আরিয়ানা গ্রান্ডের কনসার্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ জন। পুলিশের বরাতে ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ান জানায়, ভয়াবহ এই হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত ৫৯ জন। 

স্থানীয় সময় রাত সাড়ে দশটার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। নিহত ও আহতদের বেশিরভাগই অল্প বয়সী তরুণ তরুণী। ২৩ বছর বয়সী মার্কিন পপ শিল্পী আরিয়ানা শিশু ও তরুণ-তরুণীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ম্যানচেস্টার পুলিশ জানায় নিহতদের বেশিরভাগই শিশু। 

চিফ কনস্টেবল ইয়ান হপকিনস আরও জানান, একমাত্র হামলাকারী বিস্ফোরণে মারা গেছেন। পুলিশ মনে করছে সে একাই হামলাটি চালিয়েছিল। তবে সে কোনো নেটওয়ার্কের অংশ কিনা সেটা নিয়ে তদন্ত চলছে। ইয়ান হপকিনস বলেন সেই হামলাকারীর ‘সাথে ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস বহন করছিলেন এবং সেটার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এই ভয়াবহ ঘটনার জন্ম দেয়।’ 

মার্কিন দুটি তথ্যসূত্রের বরাতে জানা যায়, এক আত্মঘাতী এই হামলাটি চালিয়েছে। ম্যানচেস্টারের কনসার্টে এই আত্মঘাতী হামলায় উল্লাস প্রকাশ করেছে তথাকথিত ইসলামিক স্টেট (আইএস)। 

আইএস এর সাথে সম্পর্কিত কিছু টুইটার একাউন্ট এবং আইএস সমর্থক কিছু ব্যক্তি ম্যানচেস্টার অ্যাটাক হ্যাশট্যাগ দিয়ে এ ঘটনা নিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেছে। একটি টুইটে লেখা হয় ‘সিরিয়া ও ইরাকের মসুল ও রাকায় শিশুদের উপর বোমা হামলার জবাব পেয়েছে ব্রিটেন।’
মার্কিন নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হচ্ছে ব্রিটেন।

রাকা ও মসুলে মার্কিন বিমান হামলায় আইএস এর বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়। তার জবাবে ইউরোপ ও আমেরিকায় পাল্টা হামলা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। 

এর আগে ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও জার্মানীতে হামলা চালানো হয়। ব্রিটেনের ম্যানচেস্টারে সর্বশেষ এই হামলাটি আত্মঘাতী সন্ত্রাসী হামলা এবং তার সাথে আইএস এর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এমএনজে