মিশরে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামায়াতের পর সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ করতে গিয়ে পুলিশের হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত ও বহু মানুষ আহত হয়েছেন।
ঈদের নামাজের পর রাজধানী কায়রো, আশ-শারকিয়া, ফাইয়ুম এবং বানি সুয়েফ প্রদেশসহ মিশরের বিভিন্ন এলাকায় সরকার-বিরোধীরা বিক্ষোভের আয়োজন করে। কিন্তু পুলিশ এসব বিক্ষোভে বাধা দেয় এবং বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে পুলিশ তাজা গুলি ব্যবহার করেছে বলে গণমাধ্যমগুলো খবর দিয়েছে। আলেকজান্দ্রিয়া শহরের হ্যানোভিল এলাকায়ও পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালায়।
মিশরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা ড. খালেদ আল-ওয়েশাহি মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, গিজা হাসপাতালে মৃতদেহগুলো স্থানান্তর করা হয়েছে। বহু মানুষকে আটকও করা হয়েছে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভে যোগ দেয়ার অভিযোগে।
মিশরের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট ড. মুহাম্মাদ মুরসি পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে কারাগার থেকে পাঠানো এক বার্তায় জনগণকে দেশ বাঁচানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমানে জাতিকে নিয়ন্ত্রণ করছেএকটি নিপীড়ক ও স্বৈরশাসক । তার ডাকে সাড়া দিয়ে আজকের বিক্ষোভ হয়েছে।
উল্লেখ্য, ক্ষমতা থেকে জোর করে তাড়িয়ে দেয়া মুসলিম ব্রাদারহুডের বড় ধরনের প্রতিরোধ কঠোর সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে দমন করা হলেও ক্ষুদ্র পরিসরে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ চলছে। সিসির নেতৃত্বে সামরিক বাহিনী ২০১৩ সালে মিশরের প্রথমবারের মতো নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মুরসিকে হটিয়ে দেয়ার পর থেকেই এ পরিস্থিতি বিরাজ করছে দেশটিতে।
কেবি





