ইরাক সরকার দাবি করছে, সশস্ত্র সুন্নি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) কাছে বিপুল পরিমান রাসায়নিক অস্ত্র আছে।

জানা যায়, ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধে ইরাকের ব্যবহৃত এই রাসায়নিক অস্ত্রের মজুদ ইসলামিক স্টেট দখল করে নিয়েছে। যদিও এই রাসায়নিক অস্ত্রগুলো নষ্ট করে দেয়ার দায়িত্ব ছিল যুক্তরাষ্ট্রের।

সম্প্রতি ইরাকের সরকার জাতিসংঘ বরাবর এক লিখিত চিঠিতে এই রাসায়নিক অস্ত্র সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

লিখিত চিঠিতে ইরাকি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আলী আলহাকিম জানান, 'চলতি বছরের জুনের ১২ তারিখ প্রাপ্ত এক ভিডিও ফুটেজে দেখা যায় ইসলামিক স্টেটের সেনারা ওই রাসায়নিক অস্ত্র লুট করছে। প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ মুথানা কম্পাউন্ডে প্রতিবছর প্রায় চার হাজার টন নার্ভ গ্যাস তৈরি হয়। যাকে আমরা সারিন গ্যাস নামে চিনি।'

১৯৮০ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে ইরাক এই রাসায়নিক অস্ত্র যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে কেনে। উপসাগরীয় যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সেগুলোকে মুথানা রাজ্যের অস্ত্র গুদামে রাখা হয়। ২০০১ সাল পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল এই বিপুল পরিমান রাসায়নিক অস্ত্র নষ্ট করার। কিন্তু কয়েকটি গুদামের অস্ত্র সেসময় নষ্ট করা হয়নি। যেগুলোই বর্তমানে ইসলামিক স্টেটের হাতে আছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল জন কিরবি ইসলামিক স্টেটের হাতে থাকা রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন। তার মতে, সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা অস্ত্র তারা যেকোনো মুহূর্তে ব্যবহার করতে পারে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্ক থাকা উচিত।

জেআই