ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১০ জন নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মহসিন রেজা বলেন, এ ঘটনায় ঢাকায় আগামীকালের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে বিএসএফের বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে।

বিমান বিধ্বস্তের এই ঘটনায় বিমানে আরোহনকারী ১০ জনের সবাই নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন বিএসএফের তিনজন শীর্ষ কর্মকর্তা ও সাতজন প্রকৌশলী।

বিএসএফের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের খবরে আরও জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বিমানটিতে আধাসামরিক কারিগরেরা ছিলেন। দিল্লি থেকে বিমানটি রাঁচির দিকে যাচ্ছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা যায়, বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়ার কয়েক মিনিট পরই বিমানটি দুয়ারকার এলাকার বাদপোলা গ্রামে একটি দেয়ালের সঙ্গে ধাক্কা খায়। বিমানবন্দর থেকে বাদপোলার দূরত্ব পাঁচ কিলোমিটার।

এই বিমানটি সাধারণত শীর্ষ কর্মকর্তা ও মন্ত্রীরা ব্যবহার করতেন। একটি হেলিকপ্টার মেরামত করতে শীর্ষ প্রকৌশলীরা এই বিমানটিতে চড়ে দিল্লি থেকে রাঁচিতে যাচ্ছিলেন।

দিল্লির দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল পুলিশের জয়েন্ট কমিশনার দীপেন্দর পাঠক পিটিআইকে বলেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে উদ্ধারকাজ চলছে।

এনডিটিভির খবরে জানানো হয়, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং শিগগিরই দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘বিমান বিধ্বস্তের ঘটনাটি খুব দুঃখজনক। এখনই দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে যাচ্ছি।’

বিমান মন্ত্রণালয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর ১৫ জন সদস্য ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। দুর্ঘটনাস্থল নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে।

এদিকে, ভারতের বিমানমন্ত্রী মনেশ শর্মা বলেছেন, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কেবি