[b]সিঙ্গাপুর সিটি:[/b] জন্মহার বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে তরুণ দম্পতিদের আহ্বান জানিয়েছেন সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লং।
চান্দ্র নববর্ষের বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লি বলেন,"সম্পদশালী এই দেশের নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে অনেক শিশু দরকার। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে,বিয়ে এবং সন্তান নেয়ার ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা থাকা সত্ত্বেও জন্মহার এখানে খুবই নিচের দিকে।
চার সন্তানের জনক লি জানান,সিঙ্গাপুরের বর্তমান প্রজনন হার একজন নারীর ক্ষেত্রে ১.১৯। অথচ ২০১২ সালে এই হার ছিল ১.২৯। এমনকি আদিবাসী চীনা সিঙ্গাপুরিয়ানদের ক্ষেত্রেও এই হার নেমে গেছে ১.০৬-এ।
এই পরিস্থিতির উন্নতির জন্য সবাইকে চেষ্টা করতে আহ্বান জানান তিনি। লি জানান, এ বছরের ভ্যালেন্টাইস ডে বা ভালোবাসা দিবসে বিয়ের জন্য নাম নিবন্ধন করেছেন প্রায় ৩০০ যুগল। তাই তিনি তাদের আহ্বান জানান বছরটিকে সফল করতে। বছর জুড়ে বিয়ের ঘণ্টা এবং নবজাতকের কান্না শুনতে চান প্রধানমন্ত্রী।
সিঙ্গাপুরে জন্মহার কমার কারণে প্রতি বছর বিদেশ থেকে শ্রমিক বা কর্মী নিয়ে আসতে হয় তাদের। ফলে অভিবাসীদের সংখ্যা বেড়ে সেখানকার জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশে পরিণত হয়েছে। তাই এভাবে অভিবাসীদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়াতেও প্রধানমন্ত্রী উদ্বেগ জানিয়েছেন।
চীনে গত বছর বিতর্কিত ‘এক সন্তান নীতি'শিথিল করার পর,এবার সিঙ্গাপুরের প্রেসিডেন্টও সেই পথেই হাঁটলেন। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে চীনে ‘এক সন্তান নীতি'শিথিল করে একটি প্রস্তাব সর্বোচ্চ পর্যায়ে অনুমোদন পায়,যা এ বছর থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন এই আইন অনুযায়ী,এ বছর থেকে চীনা দম্পতির কেউ একজন তাদের বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান হলে ওই দম্পতি দুটি সন্তান নিতে পারবেন।
ব্যাপক জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধ করতে ১৯৭০ সালের শেষ দিকে এক সন্তান নীতি ঘোষণা করেছিল চীন। এই নীতির ফলে দেশের বয়োবৃদ্ধ নির্ভরশীল মানুষের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে,কমে গেছে কর্মক্ষম জনশক্তি। সূত্র: ডি ডাব্লিউ
ঢাকা, ৩১ জানুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএমএ
আন্তর্জাতিক
বছরজুড়ে নবজাতকের কান্না শুনতে চান সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী
সিঙ্গাপুর সিটি: জন্মহার বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে তরুণ দম্পতিদের আহ্বান জানিয়েছেন সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লং। চান্দ্র নববর্ষের বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লি বলেন,"সম্পদশালী এই দেশের নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে অনেক শিশু দরকার।





