তিনি বলেন, 'পুরো বাড়িতেই ময়লার স্তুপ। সব আসবাবপত্র ভাঙ্গাচোড়া।'শাহিন বলেন, 'রান্নাঘর আর টয়লেটে প্রবেশ করার যাচ্ছিল না। কারণ ফ্লোরে পায়খানায় ভরা ছিল।'
আরো বলেন, 'ঘরভর্তি খাবার ছড়ানো। ব্যবহার করা টয়লেট পেপার, চকোলেট, বিস্কিটের প্যাকেটের স্তুপ।'

তিনি আরো বলেন, 'আমি ঘরে ঢুকে দুর্গন্ধে নাক বন্ধ করে ফেলি। পরে সহ্য করতে না পেরে বমি করে দেই।'
পুরো বাড়িটি পরিস্কার করতে এই বাড়িওয়ালার এখন খরচ হবে দুই হাজার ইউরো। আর বসবাসযোগ্য করতে খরচ হবে আরো কয়েক হাজার ইউরো।

সবশেষে শাহিন মিয়া বলেন, 'ওই ভাড়াটিয়া মহিলার সাথে আমার সম্পর্ক খুব ভালো ছিল। তিনি একজন স্মার্ট মহিলা। বুঝতে পারছি না, তিনি এমন কেন করলেন?'
'গত মাসে তিনি বলেন বাড়ি ছেড়ে দিবেন। কিন্তু যাওয়ার সময় তিনি আমাকে ঘরের চাবি পর্যন্ত দিয়ে যাননি। আমি দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকেছি।'
-মিরর





