ইউক্রেনে অভিযান চালাতে গিয়ে রাশিয়ার নতুন করে আরও ২০০ সেনা নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে রাশিয়ার মোট ১৪ হাজার ৪০০ জন সেনা হত্যার দাবি ইউক্রেনের।
আজ শনিবার (১৯ মার্চ) ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ফেসবুকে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে গতকাল শুক্রবার (১৮ মার্চ) রাশিয়া প্রায় ১৪ হাজার ২০০ জন নিহত হয়ে বলে জানিয়েছিলো দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
নতুন পোস্টে আরও বলা হয়, ইউক্রেনীয় বাহিনী ৪৬৬টি রাশিয়ান ট্যাংক, ১ হাজার ৪৭০টি সাঁজোয়া যান, ৯৫টি যুদ্ধবিমান, ১১৫টি হেলিকপ্টার এবং ৬০টি জ্বালানি ট্যাঙ্ক ধ্বংস করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য কয়েক বছর আগে আবেদন করে ইউক্রেন। মূলত এ নিয়েই রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর মধ্যে ন্যাটো ইউক্রেনকে পূর্ণ সদস্যপদ না দিলেও ‘সহযোগী দেশ’ হিসেবে মনোনীত করায় দ্বন্দ্বের তীব্রতা আরও বাড়ে। ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আবেদন প্রত্যাহারে ইউক্রেনের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে যুদ্ধ শুরুর দুই মাস আগ থেকেই ইউক্রেন সীমান্তে প্রায় দুই লাখ সেনা মোতায়েন রাখে মস্কো। কিন্তু এই কৌশল কোনো কাজে না আসায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দুই ভূখণ্ড দনেতস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় রাশিয়া। ঠিক তার দু’দিন পর ২৪ তারিখ ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
চলমান এই যুদ্ধের কারণে ইতোমধ্যে ইউক্রেন ছেড়েছেন প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ। যুদ্ধে ইউক্রেনের ১৩শ’ সেনা নিহত এবং রাশিয়ার ১৪ হাজার ৪০০ সৈন্য নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন। তবে রাশিয়া বলছে, যুদ্ধে তাদের প্রায় ৫০০ সৈন্য নিহত এবং ইউক্রেনের আড়াই হাজারের বেশি সেনা নিহত হয়েছেন।
এ ছাড়া জাতিসংঘ জানিয়েছে, রুশ অভিযানে ইউক্রেনে ৮১৬ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইউক্রেনে আনুমানিক ৫ থেকে ৬ হাজার রুশ সেনা নিহত হয়েছে।
এবিএস





