১৩ জুলাই প্রকাশিত মালয়েশিয়ায় বিদেশী শ্রমিক উৎসের তালিকায় দেখা গেছে সেখানে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথমে রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রমিক নেয়ার ব্যাপারে মালয়েশিয়ার সম্মতি এবং সমঝোতা স্মারক সাক্ষরের ঘটনা গত ফেব্রুয়ারিতে আশার আলো দেখালেও, ঠিক তার ২৪ ঘন্টার মধ্যে তা স্থগিত হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন খাতে শ্রমিক সঙ্কটও তৈরি হয়, যার প্রভাব পড়ে উৎপাদনে।

দেশটির কিছু প্রতিষ্ঠিত খাত বিদেশী শ্রমিকের অভাব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে মালয়েশিয়ার প্রতিষ্ঠিত শিল্পেও কারখনাগুলোতে।

এমন অবস্থার প্রেক্ষিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আবার বিদেশী শ্রমিক নেয়ার ব্যাপারে আশ্বাস দেয়া হয় শিল্প মালিকদের। বিভিন্ন শিল্পের মালিকরাই কেবল প্রয়োজন অনুযায়ী বিদেশী শ্রমিক নিতে পারবে। আর সরকার সেই প্রয়োজন বিবেচনা করে প্রত্যেক খাতের জন্য বিদেশী শ্রমিকের সংখ্যা নির্ধারণ করে দেবে।

সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন পর্যায়ের আলোচনায় জানা গেছে, খুব শীঘ্রই বিদেশী শ্রমিক নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করবে মালয়েশিয়া।

এ প্রসঙ্গে বায়রার মহাসচিব মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেছেন- ‘বিদেশি কর্মী না নেয়ার যে ঘোষণা মালেশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে ছিল তা এরই মধ্যে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। এক সপ্তাহ আগে মালয়েশিয়া সরকার বাংলাদেশকে সোর্স কান্ট্রি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। দেশটিতে বর্তমানে বিদেশী কর্মীর ব্যাপক চাহিদা আছে। বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে গত ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে সাক্ষরিত ‘জিটুজি প্লাস’ চুক্তির ভিত্তিতেই দেশটিতে কর্মী যাবে। চলতি মাসের মধ্যেই সে দেশ থেকে কর্মী নেয়ার চাহিদাপত্র পাওয়া যাবে বলে আশা করছি। আর চাহিদাপত্র পেলেই বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।’

 

এ প্রক্রিয়া শুরু হলে আগামী আগস্ট মাস থেকেই দেশটিতে সরকারি ও বেসরকারি প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়া শুরু হতে পারে।

 

তবে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর (শ্রম) সাইদুল ইসলাম জানিয়েছেন, কর্মী নেয়ার ব্যাপারে মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে তিনি আশা করেন খুব দ্রুত মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের দ্বার উন্মোচিত হবে।

এমআইএস