তুরস্কে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসে সাংবাদিকে জামাল খাশোগি নিখোঁজের ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজন ১৫ সদস্যের একজন রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।
তাঁর নাম মেশাল সাদ এম. আল বাস্তানি। ৩১ বছর বয়সী মেশাল বাস্তানি সৌদি বিমান বাহিনীর লেফটেন্যান্ট।
রিয়াদে গাড়িচাপায় নিহত না কি তাঁকে হত্যা করা হয়েছে-সে প্রশ্ন তুলেছে তুরস্কের গণমাধ্যম। তুরস্কের সরকার-সমর্থিত দৈনিক ‘ইয়েনি সাফাক’-এর বরাত দিয়ে জানায় নিউজ ডট কম।
খবরে বলা হয়েছে, মেশাল বাস্তানি সাংবাদিক খাসোগি কাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাকে সাজানো সড়ক দুর্ঘটনায় হত্যা করে খাসোগি হত্যাকাণ্ড সংক্রান্ত কিছু তথ্য-প্রমাণ মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে ওই ঘাতক দলের অপর ১৪ সদস্যের মুখ চিরতরে বন্ধ রাখতে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে তুরস্কের সরকার-সমর্থিত দৈনিক ‘ইয়েনি সাফাক’।
দৈনিক ইয়ানি সাফাক বলছে, ২ অক্টোবর বিশেষ বিমানে করে যে ১৫ ব্যক্তি সৌদি আরব থেকে ইস্তাম্বুলে উড়ে এসেছিলেন তাদের মধ্যে সাদ আল বাস্তানিও ছিলেন। তবে তিনি কনস্যুলেট ভবনে না গিয়ে মাত্র কয়েক ঘণ্টা ইস্তাম্বুলের উইন্ডহাম গ্র্যান্ড হোটেলে অবস্থান করেন। হোটেল থেকে বের হয়ে তুরস্ক ছাড়েন সৌদির রয়েল বিমান বাহিনীর এই লেফটেন্যান্ট।
১৫ সদস্যের ঘাতক দলে তার দায়িত্ব কী ছিল তা জানা যায়নি। আসলে তার দায়িত্ব স্পষ্ট নয়। তবে হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তিনি অবহিত ছিলেন। মেশাল বাস্তানিকে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বিদেশ সফরেও দেখা গেছে।
‘ইয়েনি সাফাক’-এর প্রকাশিত সিসি টিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ১৫ সদস্যের একজন মেহের আবদুল আজিজ ২ অক্টোবর স্থানীয় সময় ৯টা ৫৫ মিনিটে সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করেন। এর কয়েক ঘণ্টা পর সোয়া ১টার দিকে জামাল খাসোগিকে কনস্যুলেটে ঢুকতে দেখা যায়।
মেহের আবদুল আজিজকে যখন তুরস্কের কামাল আতাতুর্ক বিমানবন্দরে দেখা যায় তখন তার পাশেই বড় সুটকেস নিয়ে মেশাল বাস্তানিকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।
জেড





