ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের একটি নৌ ঘাঁটিতে ঢুকে পড়েছে রুশপন্থী এক দল ব্যক্তি। ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপলে অবস্থিত এই নৌ ঘাঁটিটি হচ্ছে ওই অঞ্চলে ইউক্রেনের নৌবাহিনীর সদর দপ্তর। সদর দপ্তরে ঢুকে তারা রাশিয়ার পতাকা উড়িয়ে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। খবর বিবিসির।
ক্রিমিয়াকে রাশিয়া নিজের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করার একদিন পরই এ ঘটনা ঘটল। উল্লেখ্য, ক্রিমিয়ায় এক বিতর্কিত গণভোটে রাশিয়াতে যোগ দেয়ার পক্ষে রায় আসে। এরপর রুশ পার্লামেন্টে এটি অনুমোদিত হয় এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এতে স্বাক্ষর করেন।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার খবর পাওয়া যায় যে, ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের একটি সামরিক ঘাঁটিতে রাশিয়ার সেনাবাহিনী হামলা চালিয়েছে। হামলা চালিয়ে একজন ইউক্রেনীয় সেনাকে গুলি করে হত্যা ও অপর এক কমান্ডারকে আটক করে নিয়ে যায় বলে জানা যায়। ইউক্রেনের সরকার গতকাল এ দাবি করলেও এর পক্ষে কোন সত্যতা যাচাই করা যায়নি।
এদিকে, ক্রিমিয়ার রাশিয়াতে অন্তর্ভূক্তিকে মেনে নেয়নি ইউক্রেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আমেরিকা। ক্রিমিয়াতে এ ধরনের অবস্থানের কারণে রাশিয়া ও ইউক্রেনের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
উল্লেখ্য, ইউক্রেনে সমস্যার শুরু গত নভেম্বরে। তৎকালীন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানোকোভিচ রাশিয়ার সঙ্গে অর্থনৈতিক জোটে যুক্ত হতে ও গভীর সম্পর্ক তৈরি করতে চাইলে এর প্রতিবাদ করেন দেশের সাধারণ মানুষ। এই প্রতিবাদই আস্তে আস্তে বিক্ষোভ ও সহিংসতায় রুপ নেয়। এর প্রেক্ষিতে গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ায় পালিয়ে যান ইয়ানোকোভিচ।
এর পর পরই ইউক্রেনের স্বায়ত্ত্বশাসিত উপদ্বীপ ক্রিমিয়ায় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। কৃষ্ণ সাগরের মধ্যে অবস্থিত ক্রিমিয়া রাশিয়ার সীমানা ঘেঁষা। ক্রিমিয়ার সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ জাতিগতভাবে রুশ। ইয়ানোকোভিচের পদত্যাগের পর এদেরই একটি অংশ সশস্ত্র অবস্থায় ক্রিমিয়াকে কার্যত ইউক্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। রুশ বাহিনীর সমর্থনে এসব সশস্ত্র গ্রুপগুলোর তৎপরতায় ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী তেমন কিছুই করতে পারেনি।
এরই ধারাবাহিকতায় ক্রিমিয়ার আঞ্চলিক সরকার একটি গণভোটের আয়োজন করে, যে গণভোটের উদ্দেশ্য ছিল মাধ্যমে তারা নির্ধারণ করে ক্রিমিয়া ইউক্রেনের সাথে থাকবে নাকি রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হবে। গণভোটে ক্রিমিয়ার প্রায় ৯৫ শতাংশ ভোটার রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে রায় দেয়। রাশিয়াও ক্রিমিয়াকে নিজেদের ভূখন্ড হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করে নেয়। এ নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আমেরিকার চলছে ব্যাপক টানাপোড়ন। এই টানাপোড়নের পরিণতি কী হয় তা অনিশ্চিত। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন, ক্রিমিয়া নিয়ে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বেধে যেতে পারে। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স ও সিএনএন
[b]ঢাকা, ১৯ মার্চ (টাইমনিউজবিডি) //এমএ[/b]
ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের নৌ ঘাঁটি রুশপন্থীদের দখলে!
ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের একটি নৌ ঘাঁটিতে ঢুকে পড়েছে রুশপন্থী এক দল ব্যক্তি। ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপলে অবস্থিত এই নৌ ঘাঁটিটি হচ্ছে ওই অঞ্চলে ইউক্রেনের নৌবাহিনীর সদর দপ্তর। সদর দপ্তরে ঢুকে তারা রাশিয়ার পতাকা উড়িয়ে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। খবর বিবিসির।
শান্তি আলোচনা হলেও ইউক্রেনে হামলা চলবে : রাশিয়া
ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরু হলেও সামরিক অভিযান বন্ধ বা সীমিত করা হবে না বলে জানিয়েছে রাশিয়া। সোমবার (২৬ অক্টোবর) মস্কোয় এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
ইউক্রেন থেকে তরুণদের দেশে বেঁচে ফেরার লোমহর্ষক বিবরণ
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে তরুণদের রাশিয়ায় নিয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে প্রতিপক্ষের অবস্থান শনাক্ত করতে এসব বাংলাদেশিকে ‘টোপ’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পেয়েছে বাংলাদেশের পুলিশের একটি বিশেষ ইউনিট। এভাবে রাশিয়ায় পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির মধ্যে ২০ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় দেশে ফিরেছেন ঝিনাইদহের তরুণ রাজন হোসেন।
ইউক্রেনের দুই শহরে রুশ হামলায় নিহত ৬
ইউক্রেনের দুটি শহরে রাশিয়ার হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে একটি মুদি দোকানে হামলায় তিনজন নিহত ও আরও ২০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (১১ অক্টোবর) এসব হামলার ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে রয়টার্স।
রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইউক্রেনে শিশুসহ নিহত ২৮
ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এসব হামলায় অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন শিশু রয়েছে।
ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র কিনতে ইউক্রেনকে ১৩৮ কোটি ডলার দিল ইইউ
ইউক্রেনের সামরিক সরঞ্জাম কেনার জন্য ১২৪ কোটি ইউরো বা প্রায় ১৩৮ কোটি ডলার অর্থ ছাড় করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সংগ্রহে এ অর্থ ব্যয় করবে ইউক্রেন।
















