ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি'র কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানির লাশ দেশে পৌঁছার পর ইরানের খুজিস্তান প্রদেশের প্রধান শহর আহওয়াজে জনতার ঢল নেমেছে। গোটা শহরই যেন এক জনসমুদ্র।

আজ রোববার স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় খুজিস্তান প্রদেশের কেন্দ্রীয় শহর আহওয়াজে জেনারেল সোলাইমানির জানাজা হয়। এরপর তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মাশহাদ নগরীতে। সেখানে দুপুরে ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে আরেক দফা জানাজা হয়।

শোকার্ত জনতা খুব কাছ থেকে তাদের বীরের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেছেন। জেনারেল সোলাইমানিকে বহনকারী গাড়িতে একবার হাত বুলিয়ে দিতে পারাকে পরম সৌভাগ্য বলে মনে করছেন অনেকে। এ কারণে গাড়ির সামনে পেছনে শুধুই মানুষ।

এর আগে গতকাল শনিবার ইরাকের কাজেমাইন, বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফ শহরে জেনারেল সোলাইমানি এবং তাঁর সহযোদ্ধাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ইরাকের লাখ লাখ মানুষ এসব জানাজায় অংশ নেয়।

এরপর যথাক্রমে তেহরান, কোম ও জেনারেল সোলায়মানির জন্মস্থান দক্ষিণ ইরানের কেরমান শহরে তাঁর জানাজা হবে। এরপর জেনারেলের ওসিয়ত অনুযায়ী কেরমানেই তাঁর দাফন সম্পন্ন হবে।

শুক্রবার ভোররাতে ইরাকের রাজধানী বাগদাদ বিমানবন্দরে মার্কিন বিমান হামলায় জেনারেল কাসেম সোলাইমানি নিহত হন।

ওই হামলায় জেনারেল সোলাইমানির সঙ্গে ইরাকের জনপ্রিয় সরকারপন্থি স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী হাশদ আশ-শাবির উপপ্রধান আবু মাহদি আল-মুহান্দিসসহ দুই দেশের মোট ১০ জওয়ান ও কমান্ডার নিহত হন।

এএস