মিয়ানমারে স্বৈরশাসন চলাকালে সেনাবাহিনীর সদস্যরা সংখ্যালঘু কারেন সম্প্রদায়ের ওপর সম্পদ লুটপাট, নির্যাতন-নিপীড়ন ও বর্বর হত্যাকাণ্ডের মতো যুদ্ধাপরাধ চালিয়েছিল।
এমনই অভিযোগ এনে শুক্রবার এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে হার্ভার্ড ল স্কুল।ওই প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করেছে আলজাজিরা।
হার্ভার্ড ল স্কুলের মানবাধিকার গবেষকদের দাবি, ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কো কো এবং আরও দুই জেনারেলের নেতৃত্বে সংঘটিত হত্যা ও নির্যাতনের মতো যুদ্ধাপরাধের প্রমাণ আছে তাদের কাছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সংখ্যালঘু কারেন বিদ্রোহীদের ওপর এই যুদ্ধাপরাধ চালায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী।
হার্ভার্ড ল স্কুলের ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্লিনিকের গবেষকরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন, মানবতাবিরোধী অন্তত ৬৬টি অপরাধের বিস্তারিত তথ্য-প্রমাণ তাদের হাতে আছে।
উল্লেখ্য, কো কো বর্তমানে মিয়ানমারের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগের কমান্ডার হিসেবে কর্মরত আছেন। তার দুই সহযোগী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খিন জ উ এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মং মং আয়ে, এরাও সরকারের উচ্চপদে আসীন আছেন।
জনগণের সম্পদ লুটপাট ও ধ্বংস করা, হত্যা ও নিয়ম বহির্ভূত ফাঁসি, নির্যাতন এবং মানবতাবিরোধী এমন অনেক অপরাধের দায়ে এই তিন জনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এনেছেন হার্ভার্ড গবেষকরা।
অবশ্য গবেষক দলের প্রধান ম্যাথিউ বাগার বলেছেন, "এই প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে আমরা মিয়ানমারের সাবেক তিন সেনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) প্রসিকিউশনি শুরু করার আর্জি জানাচ্ছি এমন নয়। বরং আমাদের উদ্দেশ্য বিষয়টা নিয়ে যেন আলাপ-আলোচনা শুরু হয়।"
ইআর





