ক্ষমতায় গেলে 'বাংলাদেশিদের'কে তাড়িয়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিজেপি থেকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী নরেন্দ্র মোদী। ভারতে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদেরকে ইঙ্গিত করে তিনি একথা বলেছেন। সোমবার এ খবর জানিয়েছে এনডিটিভি।
নরেন্দ্র মোদীর যুক্তি হচ্ছে, নির্বাচনে ভোট দেয়ার জন্য রাজনীতিবিদরা বাংলাদেশিদেরকে ভারতে নিয়ে এসেছেন। রাজনীতিবিদরা বাংলাদেশিদের জন্য লাল গালিচা বিছিয়ে দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মোদী বলেন, "আপনারা (সাংবাদিকরা) এটি লিখে রাখুন, ১৬ মে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর যেন বাংলাদেশিরা আর ভারতে না থাকে। তারা যেন তল্পিতল্পা গুছিয়ে চলে যায়।" রোববার পশ্চিমবঙ্গের সিরামপুরে এক জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, "তিনি (মমতা) তার ভোট ব্যাংকে শক্তিশালী করতে বাংলাদেশিদের জন্য লাল গালিচা বিছিয়ে দিয়েছেন। এখানে (পশ্চিমবঙ্গে) যদি বিহার থেকে লোক আসে তাহলে তারা বহিরাগত বলে গণ্য হবে, যদি উড়িষ্যা থেকে আসে তবে তারাও বহিরাগত। কিন্তু যদি বাংলাদেশ থেকে আসে তাহলে ওনার (মমতার) মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠে। আমরা এটা হতে দিতে পারি না। আপনার ভোট ব্যাংক নীতির কারণে আমরা আমাদের দেশটাকে ধ্বংস হতে দিতে পারি না।"
এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে মোদী হিন্দু ও মুসলমান অভিবাসীদের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দেয়ার কথা বলেছিলেন।
তিনি বলেছিলেন, "অন্যান্য দেশে হেনস্থার শিকার হিন্দুদের প্রতি আমাদের একটি দায়িত্ব রয়েছে। তারা কোথায় যাবে? ভারতই হচ্ছে তাদের জন্য একমাত্র আশ্রয়ের জায়গা। আমাদের সরকার তাদেরকে এই অবস্থার মধ্যে থাকতে দিতে পারে না। এখানে তাদের জায়গা করে দিতে হবে।" বিজেপির নির্বাচনী ইশতেহারেও একথা উল্লেখ আছে যে, ভারত হচ্ছে বিতাড়িত হিন্দুদের জন্য স্বাভাবিক বাড়ি।
ভারতীয় গণমাধ্যমের কয়েকটি রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, ভারতে প্রায় দুই কোটি বাংলাদেশি অভিবাসীর বাস। তবে এর সুনির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই। তাদের অনেকেরই ভোটার আইডি কার্ড, রেশন কার্ড এবং নাগরিক হিসেবে অন্যান্য সুবিধা পাওয়ার বৈধ কাগজপত্র রয়েছে।
এর আগে বিজেপির শীর্ষস্থানীয় এক নেতার মন্তব্যে তোলপাড় বয়ে যায়। তিনি বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ ভূখণ্ড দাবি করেন। সূত্র: এনডিটিভি
[b]ঢাকা, ২৮ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি) //এমএ
[/b]





