ভারতের প্রধানমন্ত্রী আসাম থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মনমোহন সিং রোববার গুয়াহাটিতে তার শেষ জনসভা করলেন। ভোট চাইলেন কংগ্রেসের জন্যে। রাজনীতির চেয়েও এ দিন শিবসাগরের এই জনসভা শেষ পর্যন্ত মনমোহন সিং বিদায় সম্বর্ধনায় পরিণত হয় । এবার তিনি লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না।
২৩ বছর আসামের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। বক্তৃতায় সেকথা মনে বারবার স্মরণ করে মনমোহন বলেন, ‘যখন যে ভূমিকায় কাজ করেছি, চেষ্টা করেছি দেশের সেবা করার। আজ রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধীর হয়ে ভোট চাইতে এসেছি।’
শেষ সভার শুরুতে মনমোহন যখন দর্শকদের উদ্দেশে পুলিশি কায়দায় স্যালুট ঠুকলেন তখন জনতা উদ্বেল হয়ে ওঠে। ওঠে জিন্দাবাদ ধ্বনি। মানপত্র তুলে দেওয়া হয় মনমোহন সিংয়ের হাতে।
আজ বেলা ১১টার দিকে মোহনবাড়ি বিমানবন্দরে নেমে হেলিকপ্টারে খুমটাই চা বাগানের উদ্দেশে রওনা হন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। কংগ্রেস প্রার্থী বিজয়কৃষ্ণ সন্দিকৈ, মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভুবনেশ্বর কলিতা, উত্তর-পূর্ব উন্নয়নমন্ত্রী তথা ডিব্রুগড়ের প্রার্থী পবন সিং ঘাটোয়ার মনমোহনকে অভিবাদন জানান।
প্রধানমন্ত্রীর আধঘণ্টার হিন্দি বক্তৃতার শুরুতেই ছিল বিদায়ী আবেগ। তিনি বলেন, ‘চার দশক ধরে বিভিন্ন স্তরে মানুষের সেবা করছি। দুই দশকের বেশি অসমের প্রতিনিধি আমি। শেষ দশ বছর দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ করেছি। যখন যে পদেই থেকেছি, মানুষের সেবা করার চেষ্টা করেছি।‘ তাঁর কথায়, ‘আপনাদের দাবি ছিল: দেশের আর্থিক বিকাশ, সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা ও সমানাধিকার। আমি ও ইউপিএ সরকার সেই চেষ্টাই করেছি। তবে অনেক কাজ বাকি থেকে গিয়েছে। তা পূরণ করতেই ফের ইউপিএ’কে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনুন।
[b]ঢাকা, ৩০ মার্চ (টাইমনিউজবিডিডটকম) // টিআই[/b]