যুক্তরাষ্ট্রের বাহামায় ঘূর্ণিঝড় ‘ডোরিয়ানের’ তাণ্ডবে অন্তত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার বাহামার প্রধানমন্ত্রী হুবার্ট মিন্নিসের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।
বাহামার প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এক ঐতিহাসিক ট্রাজেডির মধ্যে রয়েছি। তবে ৫ জনের মৃত্যুর খবর জানালেও বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি মিন্নিস।
ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ১৩ হাজার বাড়ি-ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস। প্রধানমন্ত্রী মিনিস বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় ডোরিয়ান এখনও অত্যন্ত বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয় সময় রোববার দুপুরে বাহামার এলবো প্রবালপ্রাচীরে প্রবল ঝড় আঘাত হানার কিছুক্ষণের মধ্যেই অ্যাবাকো দ্বীপপুঞ্জ পানির নিচে চলে যায়। বাহামার বিভিন্ন স্থানে ঝড়ের প্রভাবে তীব্র বাতাস এবং ভারী বৃষ্টিপাত দেখা দিয়েছে।
বাহামার স্থানীয় বাসিন্দারা ঝড়ের কিছু ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন। এতে দেখা গেছে বেশ কিছু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিতে নৌকা এবং ধ্বংসস্তূপ ভেসে থাকতে দেখা গেছে।
এখন পর্যন্ত বাহামায় আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হচ্ছে ডোরিয়ান। এটি বাহামায় তাণ্ডব চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলে আঘাত হানতে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।
পাঁচ মাত্রার এই ঘূর্ণিঝড়টি শক্তি হারিয়ে চার মাত্রায় অবস্থান করছে এবং ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ২৪০ কিলোমিটার।
আগামী কয়েকদিন ধরেই প্রচণ্ড শক্তি নিয়েই তাণ্ডব চালাবে এই ঝড়। ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ক্যারোলিনায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অ্যাবাকো দ্বীপে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় ডোরিয়ানের ফলে ২৩ ফুট পর্যন্ত উচ্চতার জলোচ্ছাস সৃষ্টি হতে পারে। এমন একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি পরিবারের সদস্যরা তাঁদের বাড়ির ছাদে উঠে পানির তোপ থেকে বাঁচার চেষ্টা করছেন।
এএস





