উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন দেশটির পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ-জয়ের পন্থা নিয়ে আলোচনা করেছেন। রোববার কিমের সভাপতিত্বে দেশটির ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি বা কেসিএনএ।
উত্তর কোরিয়া নতুন করে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে উপগ্রহ থেকে নেয়া ছবির ভিত্তিতে যখন ধারণা করা হচ্ছে তখন এ খবর প্রকাশিত হলো।
এ ছাড়া, বৈঠকে কিছু সাংগঠনিক বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। সাংগঠনিক বিষয় বলতে উত্তর কোরিয়ার কোনো কোনো শীর্ষস্থানীয় পদে সম্ভাব্য রদবদলের কথা বলা হয়েছে বলে কেউ কেউ মনে করছেন।
এ বৈঠকের আগে কিম আজ দূরপাল্লার কামানের মহড়া পরিদর্শন করেছেন বলে জানিয়েছে কেসিএনএ। খবরে বলা হয়েছে, পীত সাগরের উত্তেজনাপূর্ণ সীমান্তে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে উত্তর কোরিয়া সেনাবাহিনীর কামান ইউনিটকে। মহড়ায় ব্যবহৃত সব গোলা নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পেরেছে বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। পীত সাগরের বিতর্কিত সীমান্তে অতীতে বেশ কয়েক দফা রক্তক্ষয়ী নৌ সংঘর্ষ হয়েছে।
এর আগে গতকালও একটি মহড়া পরিদর্শনে গিয়ে আমেরিকার বিরুদ্ধে 'সম্ভাব্য' যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে তার দেশের সেনাদের প্রতি আহ্বান জানান কিম। এ সময় তিনি ঢিলেমি দূর করতে সেনাদের পরামর্শ দেন এবং সেনা কমান্ডারদের সঙ্গে সমালোচনা করেন। সূত্র: আইআরআইবি
[b]ঢাকা, ২৭ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি) //এমএ[/b]
যুদ্ধে আমেরিকাকে 'হারানো'র ছক কষছেন কিম!
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন দেশটির পদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ-জয়ের পন্থা নিয়ে আলোচনা করেছেন। রোববার কিমের সভাপতিত্বে দেশটির ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি বা কেসিএনএ।
দ্য গার্ডিয়ান হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ মনে করেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখেন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ভারত-আমেরিকা কারও আধিপত্য মেনে নেব না : নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। এবার আমরা দুটি ভোট দিয়েছি, কিন্তু এখনো গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হয়নি। আপনারা যারা প্রথমবার হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন, আপনাদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। গণঅভ্যুত্থান হয়েছে সীমান্ত সুরক্ষা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার জন্য। আমরা কারোরই আধিপত্য মেনে নেব না—ভারতেরও না, আমেরিকারও না।
হরমুজ প্রণালি আমেরিকার খেলার মাঠ নয়: ইরানি সামরিক বাহিনী
ইরানের সামরিক সদর দপ্তর সতর্ক করেছে যে, সব বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে যাতায়াতের জন্য ইরানের নির্ধারিত সামুদ্রিক পথ ব্যবহার করতে হবে। অন্যথায় পরিণতি ভোগ করতে হবে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আমেরিকা-ইরান চুক্তি: মধ্যস্থতা করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত পাকিস্তান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তিন মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং ধুঁকতে থাকা বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরাতে একটি যুগান্তকারী চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বলিষ্ঠ মধ্যস্থতা সোমবার বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশ্বনেতারা এ ঐতিহাসিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
যেভাবে ধনী হচ্ছেন আমেরিকার অনেক মানুষ
১৯৯৪ সালে গ্রেগ ফ্লিন যখন বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিজনেস স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করেন, তখন আমেরিকায় ‘ডটকম’ বা ইন্টারনেট বিপ্লবের জয়জয়কার। তার সহপাঠীরা সবাই বড় বড় করপোরেট সংস্থায় যোগ দিয়ে রাতারাতি কাগজে-কলমে ‘মিলিয়নিয়ার’ বনে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ফ্লিন হাঁটলেন ভিন্ন পথে। এক বন্ধুর রেস্তোরাঁ ব্যবসায় সাহায্য করতে যোগ দিলেন তিনি। এর কয়েক বছর পর আমেরিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থার দারুণ অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফ্লিন নিজেই আটটি ‘অ্যাপলবিস’ রেস্তোরাঁ কিনে নেন।
















