ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কনট প্লেসসহ দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় সিজেপির বিক্ষোভের সমালোচনা করেন বক্তারা। তাদের অভিযোগ, এসব কর্মসূচিতে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষতি হচ্ছে।
ভাটনগর বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সীমাবদ্ধ না থেকে মানুষকে রাজপথে নামতে হবে। তার দাবি, ভা্রতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আহ্বান জানালে আরো বিপুলসংখ্যক মানুষ সমবেত হবেন। তিনি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সমর্থনে সিজেপি সরকারবিরোধী আন্দোলন চালাচ্ছে।
সিইসির পদত্যাগের দাবির সমালোচনা করে ভাটনগর বলেন, এ ধরনের দাবি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনআস্থা দুর্বল করতে পারে। পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারও বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার ভাষায়, দশেরা থেকেই ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ পতনের সূচনা হবে।
লাল হিট জনতা পার্টির নেতারা জানিয়েছেন, গণতন্ত্র রক্ষা এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসীদের ঐক্যবদ্ধ করাই তাদের লক্ষ্য। সংগঠনটির দাবি, কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও তারা সমর্থন পাচ্ছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
এমএম











