হামলার পর স্কুলে গিয়ে রক্ত আর পাশবিকতার দৃশ্য দেখতে পান উদ্ধারকর্মীরা হামলার পর স্কুলে গিয়ে রক্ত আর পাশবিকতার দৃশ্য দেখতে পান উদ্ধারকর্মীরা।
অবরুদ্ধ গাজায় জাতিসংঘের একটি স্কুলে আশ্রয় নেয়া নারী ও শিশুদের ওপর আবার পাশবিক হামলা চালিয়েছে মানবতার শত্রু ইসরাইল। এ হামলায় অন্তত ২০ ফিলিস্তিনি শহীদ ও অপর অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে।
গাজা শহর থেকে চার কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের আবু হোসেইন স্কুলে আজ (বুধবার) ভোর সাড়ে ৫টায় কামানের গোলাবর্ষণ করে ইহুদিবাদী সেনারা। জাতিসংঘের একজন কর্মকর্তা এ হামলার ঘটনা নিশ্চিত করে বলেছেন, দু’টি ক্লাসরুম ও একটি বাথরুমে ইসরাইলের গোলা আঘাত হানে। এ সময় শিশুরা ঘুমিয়ে ছিল এবং তাদের মা-বাবারা ফজরের নামাজ আদায় করছিলেন। হামলার পর স্কুলটিতে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
গত এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার গাজার স্কুলে হামলা চালাল ইসরাইলি সেনারা। গত ২৪ জুলাই গাজা উপত্যকার বেইত হানুন শহরের একটি স্কুলে ইহুদিবাদীদের হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত ও অপর ২০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়।
জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় এ ধরনের স্কুলে হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ইহুদিবাদী ইসরাইল। সে আশ্বাস পেয়ে স্কুলগুলোতে এক লাখেরও বেশি বিপন্ন ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছেন; এদের বেশিরভাগই নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ বেসামরিক নাগরিক। সূত্র: আইআরবি
ঢাকা, ৩০ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) //জেডআই





