এবার মাদ্রাসা ও ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ব্রিটিশ সরকার।
এছাড়াও নজরদারি নিশ্চিত করতে এসব প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিত পরিদর্শনের আওতায় আনা হচ্ছে। এ নিয়ে ব্রিটেনে মুসলমানদের সঙ্গে মতবিনিময়ের এক প্রক্রিয়া সোমবার শেষ হচ্ছে।
বিশ্বজুড়ে চলমান জঙ্গিবাদ আতঙ্কে মুসলমানদের যে কিছুটা বাঁকা দৃষ্টির শিকার হতে হচ্ছে তারই ধারাবাহিকায় এই নজরদারি বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
এমনকি সন্দেহের চোখে দেখা হয় মুসলমানদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাকেও। আর এমনই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সকল মাদ্রাসা ও ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করছে সরকার।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ব্রিটিশ মুসলমানদের মধ্যে কট্টরপন্থি বিশ্বাসের বিস্তার ঠেকাতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ব্রিটেনের প্রায় প্রতিটি মসজিদেই কোরআন ও ধর্মশিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। স্কুলের পরে এবং ছুটির দিনগুলোতে শিশু-কিশোররা ইসলাম শিক্ষার জন্য সেখানে যায়। ব্রিটিশ সরকারের ভয়, কোনো নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এরকম কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে শিশুদের কট্টরপন্থি আদর্শে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে বা সেরকম ঝুঁকি রয়ে গেছে।
তবে, সরকারের এমন পদক্ষেপে হয়রানি বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ। অনেকে মনে করছেন, সরকার ধর্মে নাক গলাচ্ছে। এ উদ্যোগের বিরোধীদের আশঙ্কা, সরকার যেভাবে চাইবে, একসময় হয়তো সেভাবেই শিশুদের ইসলাম শিক্ষা দিতে হবে।
তবে এ উদ্যোগকে স্বাগতও জানিয়েছেন অনেকে। তাদের মতে, এর ফলে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। শান্তির ধর্ম ইসলামের অপব্যাখ্যাও বন্ধ হবে। কারন সন্তানের প্রকৃত শিক্ষা নিয়ে মুসলিম অবিভাকদের মধ্যে আতঙ্ক কম নয়।
কেবি





