আলজেরিয়ার বিধ্বস্ত বিমানে থাকা যাত্রীদের কেউ জীবিত নেই বলে জানিয়েছে ফ্রান্স। শুক্রবার এ খবর জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওঁলাদ। বিমান বিধ্বস্তের জন্যে বৈরী আবহাওয়াকেই সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ভাবা হচ্ছে।

বিমান বিধ্বস্তের জায়গায় ফ্রান্সের একদল সেনা পাঠানো হয়েছে। সেনা দলটি বিধ্বস্ত স্থল থেকে বিমানের তথ্য সংরক্ষণ (ডাটা রেকর্ডার) যন্ত্রটি উদ্ধার করার পরই এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। খবর বিবিসি'র।

বৃহস্পতিবার সকালে বারকিনাফাসোর রাজধানী ওগাদৌগৌ থেকে আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে যাওয়ার পথে রাডার থেকে হারিয়ে যায় আলজেরিয়ার এই বিমানটি। এয়ার আলজেরিয়ার এএইচ-৫০১৭ নামের এই বিমানটিতে ক্রু ও পাইলটসহ ১১৬ জন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের মধ্যে ৫১ জন ফ্রান্সের নাগরিক।

বিমানটি বৈরী আবহাওয়ার কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ডাটা রেকর্ডার পরীক্ষা করে দেখা গেছে, বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বিমানের পাইলট ভারী ঝড়ের কথা জানিয়েছিলেন।

বারকিনাফাসো থেকে উড্ডয়নের মাত্র ৫০ মিনিট পরই বিমানটি নিখোঁজ হয়। এরপর ওইদিনই বারকিনাফাসোর প্রতিবেশী দেশ মালির নাইজার নদীতে বিধ্বস্ত অবস্থায় বিমানটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। বিধ্বস্ত স্থলটি বারকিনাফাসোর সীমান্তে অবস্থিত।

মালিতে অবস্থানরত ফ্রান্সের সেনাবাহিনীর ১০০ জনের একটি টিমকে ৩০টি উদ্ধারকারী গাড়িসহ সেখানে পাঠানো হয়। উল্লেখ্য, মালির সশস্ত্র গ্রুপগুলোর বিরুদ্ধে সরকারি বাহিনীকে সহায়তা করতে সেখানে গত বছর সেনা পাঠায় ফ্রান্স। মালির সশস্ত্র গ্রুপগুলো ইসলামী শরীয়াহ আইন চালুর জন্যে লড়াই করে আসছেন। সূত্র: বিবিসি

ঢাকা, ২৫ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ