কাশ্মিরের শ্রীনগরে অবস্থিত বিখ্যাত জামা মসজিদের ফটক বন্ধ করে দিয়েছে ভারতের উগ্র-হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার।
এজন্য নগরীর প্রধান মসজিদে আজ (০৯ আগস্ট) শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় করতে পারেনি মুসলমানরা। তবে অভ্যন্তরীণ ছোট ছোট মসজিদে নামাজ আদায়ের অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তারা।
কিন্তু অনুমতি মিললেও সেসব মসজিদের আশপাশের অঞ্চলে প্রচুর নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে।
সরকারি কর্মকর্তারা বলেন, কোনো সমস্যা ছাড়াই নামাজ আদায় সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে ধীরে ধীরে কাশ্মীরের অচলাবস্থা অনেকটাই শিথিল করা হতে পারে।

রাজ্য পুলিশের প্রধান দিলবাগ সিং সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেন, “স্থানীয়দের আশপাশের মসজিদে গিয়ে প্রার্থনা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এতে কোনো বাধা নেই। তবে তাদের স্থানীয় এলাকার বাইরে অন্য অঞ্চলে যাওয়া উচিত নয়।”
গতকাল (০৮ আগস্ট) কাশ্মীরিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ঈদ সামনে। সবাইকে শুভকামনা। জম্মু-কাশ্মীরে ঈদের সময় যেন কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখছে সরকার। আসুন সবাই মিলে ভারতের সঙ্গে নয়া জম্মু-কাশ্মীর ও নয়া লাদাখ নির্মাণ করি।”

এর আগে গত ০৫ আগস্ট স্বায়ত্তশাসনের মর্যাদা সম্বলিত সংবিধানের ৩৭০ ধারা ও ৩৫ ধারা বাতিল করে গোটা জম্মু ও কাশ্মীরকে একতরফাভাবে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করেছে ভারতের উগ্র-হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার।
এরপরই ফুঁসে ওঠে কাশ্মীরের জনতা। মুসলিম অধ্যুষিত জম্মু-কাশ্মীরের সঙ্গে গোটা দুনিয়ার সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৪৪ ধারা জারি করার পরও রাস্তায় নেমে আসে শত শত কাশ্মীরি।গোটা রাজ্যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়।
এমবি





