[b]লন্ডন:[/b] ইসরাইল ১৯৫০-এর দশক থেকে গোপনে পারমাণবিক বোমা তৈরি করে যাচ্ছে বলে এক রিপোর্ট থেকে জানা গেছে। পশ্চিমা দেশগুলোর পৃষ্ঠপোষকতার কারণে দশকের পর দশক ধরে এই অবৈধ কর্মটি স্বাচ্ছন্দ্যে সম্পন্ন করেছে তেলআবিব।
ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে,পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে সরাসরি পাওয়া উপাদান অথবা নিজস্ব গুপ্তচরদের মাধ্যমে চুরি করা প্রযুক্তি ও উপকরণ দিয়ে ইসরাইল তার পারমাণবিক তৎপরতা শুরু করে। অচিরেই একটি সম্পূর্ণ পরমাণু অস্ত্র তৈরির কৌশল রপ্ত করে ফেলে তেলআবিব। আর এ কাজে ফিলিস্তিন দখল করে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রটিকে সহায়তা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,ফ্রান্স,ব্রিটেন,জার্মানি ও নরওয়ে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,১৯৬০-এর দশকে ব্রিটেনের মধ্যস্থতায় নরওয়ের কাছ থেকে ইসরাইল ২০ টন হেভি ওয়াটার সংগ্রহ করেছিল। একই সময়ে ইসরাইলকে ১০০ টন ইয়েলো কেক সরবরাহ করেছিল আর্জেন্টিনা। অথচ এই দু’টি ভয়ঙ্কর উপাদান যাতে পরমাণু অস্ত্র তৈরির কাজে ব্যবহৃত না হয় সেজন্য ইসরাইলের কাছ থেকে কোনো গ্যারান্টি নেয়নি দাতা দেশগুলো।
প্রতিবেদনে ইসরাইলের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচির ব্যাপারে চোখ বন্ধ করে থাকা এবং ইরানের বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বাড়াবাড়ি করার জন্য ওয়াশিংটন ও লন্ডনের নিন্দা জানানো হয়। পশ্চিমা শক্তিগুলো ইসরাইলকে সহজে পরমাণু অস্ত্র তৈরি ও সংরক্ষণ করতে দিলেও ইরানকে বেসামরিক কাজে পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার করতে দিচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র দেশ হিসেবে ইসরাইলের কাছে পরমাণু অস্ত্র রয়েছে যার সংখ্যা ৪০০টির মতো হতে পারে। আন্তর্জাতিক সমাজের চাপ সত্ত্বেও শুধুমাত্র আমেরিকার পৃষ্ঠপোষকতার কারণে এখন পর্যন্ত পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি বা এনপিটিতে সই করেনি তেলআবিব। সূত্র: আইআরআইবি