শেষ পর্যন্ত ভারতীয় জনতা পার্টি ( বিজেপি) থেকে বহিষ্কার করা হল যশবন্ত সিংকে।  শনিবার তাকে  ৬ বছরের জন্য দল থেকে বহিষ্কার করা হল। দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে,  আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রাজস্থানের বারমের  এলাকা থেকে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পরে দল  তাকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের অনুরোধ করলেও তিনি তার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। এই ঘটনার জের ধরেই দল তার বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে বিজেপি সভাপতি রাজনাথ সিং জানান।  এই নিয়ে প্রবীণ এই রাজনীতিককে দ্বিতীয়বার বহিষ্কার করল বিজেপি।
৭৬ বছর বয়সী প্রবীণ নেতা  রাজস্থানের বারমের কেন্দ্র থেকে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দল তাকে এবার প্রার্থী করেনি। এর পরিবর্তে কংগ্রেস ছেড়ে আসা সোনারাম চৌধুরীকে ওই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করে বিজেপি। আর এতেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপর  চটে যান যশবন্ত সিং। তখনই সিদ্ধান্ত নেন স্বতন্ত্রভাবে ওই এলাকা থেকে নির্বাচনে লড়বেন তিনি। সিদ্ধান্তে অটল থেকে তিনি বারমের থেকে  জমা দেন মনোনয়নপত্র।
বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব ভেবেছিলেন, হয়ত দলীয় শৃঙ্খলার কথা মাথায় রেখে, শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন যশবন্ত সিং। কিন্তু বয়সে প্রবীণ হলেও, তার প্রতি শীর্ষ নেতৃত্বের এই বঞ্চনা মেনে নিতে পারেন সাবেক বিদেশমন্ত্রী। তাই দলের নির্দেশ উপেক্ষা করেই নিজের সিদ্ধান্তে অনড় রইলেন যশবন্ত সিং। এর মাশুল হিসেবে তাকে ছ বছরের জন্য দল থেকে বহিষ্কার করল বিজেপি। এর আগে নিজের বইয়ে পাকিস্তানের জনক জিন্নার প্রশংসা করায় দুহাজার নয় সালে বিজেপি থেকে বহিষ্কৃত হন যশবন্ত সিং।
শনিবার এক বিবৃতিতে বিজেপি সভাপতি রাজনাথ সিং জানান,  দলীয় সংবিধান অনুসারে কেউ যদি দলের নির্দেশ উপেক্ষা করে ভোটে প্রার্থী হন, তখন তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। যশবন্ত সিং যদিও দাবি করেছেন, দলের তরফে তাকে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানো হয়নি।
একই কারণে বিজেপি থেকে ৬ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে সুভাষ মাহারিয়াকেও। তিনিও দলের নির্দেশ উপেক্ষা করে রাজস্থানের সিকার কেন্দ্র থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটে দাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
[b]ঢাকা, ৩০ মার্চ (টাইমনিউজবিডিডটকম) // ইএইচ
[/b]