জাতিসংঘের লিবিয়া মিশনে সাবেক ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট সালেম ফায়াদকে নিযুক্তে বাধা দিয়ে তাকে কোনভাবে এই মিশনের নেতৃত্বে না রাখতে জাতিসংঘের প্রতি আহবান জানায় যুক্তরাষ্ট্র।
জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি নিক্কি হেলেই শুক্রবার এক বিবৃতি জানায়, জাতিংঘের পরবর্তী লিবিয়া মিশনে স্পেশাল প্রতিনিধি হিসাবে ফিলিস্তিনের সাবেক প্রেসিডেন্টকে প্রস্তাবনায় জাতিসংঘের মহাসচিব এন্টোনিও গার্টারের সিদ্ধান্তে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের প্রশাসন উদ্ধিগ্ন এবং হতাশা প্রকাশ করেছে।
হেলেই বলেন জাতিসংঘ পক্ষপাতভাবে ফিলিস্তিনের কর্তৃত্বকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে যা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইসরাইলের মিত্রতার ক্ষেত্রে দূরত্ব সৃষ্টি করে।
তিনি বিবৃতিতে আরও বলেন ফিলিস্তিন পরিপূর্ণভাবে স্বাধীন বা বিশ্ব সমাজের একটি পরিবার না হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা তাদেরকে সমর্থন করবো না।
এক্ষেত্রে উল্লেখ্য যে জাতিসংঘে পৃথিবীর ১৯৩ টি দেশের মধ্যে ১৩৭ টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দান করে। যেটা একটা স্বাধীন দেশ হিসেবে না হলেও জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক দেশ হিসেবে যথেষ্ট।
ইসরাইলকে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন দিতে গিয়ে হেলেই আরও বলেন তারা শুধু কথায় নয় তেল আবিবকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তারা কাজও করবে। ইসরাইলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের এই মনোভাব সম্প্রতি ইসরাইলের ফিলিস্তিন ভূখন্ডে আগ্রাসনের ক্ষেত্রে পরিপূর্ণ সমর্থন যোগায়। যা বিশ্ব সমাজের মানবিক চিন্তা চেতনায় আঘাত লাগার বিষয়।
৬৪ বছরের অভিজ্ঞ ফিলিস্তিন রাজনীতিবিদ সালেম ফায়াদ ২০০৭-২০১৩ প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। তিনি অর্থমন্ত্রী হিসেবেও দুইবার দায়িত্ব পালন করেন। জাতিসংঘের মহাসচিব গার্টার নভেম্বর ২০১৫ থেকে লিবিয়ার জাতিসংঘের দূত হিসেবে দায়িত্ব পালনরত মার্টিন কবলারের স্থলাভিষিক্ত হিসাবে ফায়াদের নাম প্রস্তাবনায় নিয়ে আসেন।
জাতিসংঘের ইসরাইলী দূত ডেন্নি ডানন যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ইসরাইলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থান ইহুদিদের প্রতি যেকোনে ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় সহায়তা এবং তাদের মিত্রতাকে আরও দৃঢ় করবে।
জেড





