আফগান যুদ্ধে বেসামরিক নাগরিকদের হতাহতের সংখ্যা গত বছর ১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বছরটিতে মৃতের সংখ্যা ২০১১ সালের রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে।
ইউনাইটেড নেশনস অ্যাসিস্ট্যান্স মিশন ইন আফগানিস্তানের (ইউএনএএমএ) বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সালে সরকারিবাহিনী ও তালেবান নেতৃত্বাধীন জঙ্গিবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের মাঝখানে পড়ে বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। প্রতিবেদনে গত বছর মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর হামলা হ্রাসের করা উল্লেখ করা হয়েছে।[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391929541.jpg[/img]
এক দশকের বেশি সময় পর ন্যাটো আফগানিস্তান থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ আফগানিস্তানে মোতায়েন ন্যাটো বাহিনীর প্রায় ৫৮ হাজার সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়া হবে। ন্যাটো সৈন্যদের প্রত্যাহারের পর আফগান বাহিনী বেসামরিক মানুষকে প্রহার, তাদের মালপত্র লুট ও সংক্ষিপ্ত বিচারে মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকর করতে পারে বলে জাতিসংঘের এ প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ২০১৩ সালে মোট ৮ হাজার ৬১৫ বেসামরিক লোক হতাহত হয়েছে। এদের মধ্যে ২ হাজার ৯৫৯ জন নিহত ও ৫ হাজার ৬৫৬ জন আহত হয়েছে। ২০১২ সালের চেয়ে হতাহতের এ সংখ্যা ১৪ শতাংশ বেশি।[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201402/1391929557.jpg[/img]
২০১২ সালের চেয়ে গত বছর মৃত্যুর হার ৭ শতাংশ ও আহতের হার ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত পাঁচ বছরে এই যুদ্ধে দেশটির ১৪ হাজার ৬৪ জন বেসামরিক লোক প্রাণ হারিয়েছে। এএফপি।
[b]ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডিডটকম)//ইএইচ
[/b]
আন্তর্জাতিক
আফগানিস্তানে বেসামরিক মানুষ হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে : জাতিসংঘ
ইউনাইটেড নেশনস অ্যাসিস্ট্যান্স মিশন ইন আফগানিস্তানের (ইউএনএএমএ) বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সালে সরকারিবাহিনী ও তালেবান নেতৃত্বাধীন জঙ্গিবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের মাঝখানে পড়ে বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যু একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। প্রতিবেদনে গত বছর মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর হামলা হ্রাসের করা উল্লেখ করা হয়েছে।





