ওয়াশিংটন: ইরাক বা আফগানিস্তান কোন যুদ্ধেই আমেরিকা বিজয়ী হতে পারেনি বলে জানিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট গেটস।
রবার্ট গেটস বলেছেন,"অতীতের যুদ্ধের মতো সাম্প্রতিক এ দু’টি যুদ্ধের যে ফলাফল আমরা দেখতে পাচ্ছি তাতে আমেরিকা বিজয়ী হয়েছে এটা বলা যাবে না।" একইসঙ্গে গেটস ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা সদস্যদের প্রাণহানিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সাবেক এ মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী তার এক গ্রন্থে ইরাক ও আফগানিস্তানে মার্কিন এ ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি আফগানিস্তানের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ওবামার নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন।
১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলার পর আমেরিকা ও তার মিত্ররা গত ২০০১ সালে সন্ত্রাসবাদ দমনের কথা বলে আফগানিস্তানে হামলা চালিয়ে দেখটি দখল করে নেয়। একই অজুহাতে আমেরিকা ২০০৩ সালে ইরাকেও হামলা চালিয়েছিল। সূত্র: আইআরআইবি
ইরাক-আফগান যুদ্ধে আমেরিকা পরাজিত: রবার্ট গেটস
ওয়াশিংটন: ইরাক বা আফগানিস্তান কোন যুদ্ধেই আমেরিকা বিজয়ী হতে পারেনি বলে জানিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট গেটস। রবার্ট গেটস বলেছেন,"অতীতের যুদ্ধের মতো সাম্প্রতিক এ দু’টি যুদ্ধের যে ফলাফল আমরা দেখতে পাচ্ছি তাতে আমেরিকা বিজয়ী হয়েছে এটা বলা যাবে না।"
দ্য গার্ডিয়ান হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ মনে করেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখেন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ভারত-আমেরিকা কারও আধিপত্য মেনে নেব না : নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। এবার আমরা দুটি ভোট দিয়েছি, কিন্তু এখনো গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হয়নি। আপনারা যারা প্রথমবার হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন, আপনাদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। গণঅভ্যুত্থান হয়েছে সীমান্ত সুরক্ষা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার জন্য। আমরা কারোরই আধিপত্য মেনে নেব না—ভারতেরও না, আমেরিকারও না।
হরমুজ প্রণালি আমেরিকার খেলার মাঠ নয়: ইরানি সামরিক বাহিনী
ইরানের সামরিক সদর দপ্তর সতর্ক করেছে যে, সব বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে যাতায়াতের জন্য ইরানের নির্ধারিত সামুদ্রিক পথ ব্যবহার করতে হবে। অন্যথায় পরিণতি ভোগ করতে হবে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আমেরিকা-ইরান চুক্তি: মধ্যস্থতা করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত পাকিস্তান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তিন মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং ধুঁকতে থাকা বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরাতে একটি যুগান্তকারী চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বলিষ্ঠ মধ্যস্থতা সোমবার বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশ্বনেতারা এ ঐতিহাসিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
যেভাবে ধনী হচ্ছেন আমেরিকার অনেক মানুষ
১৯৯৪ সালে গ্রেগ ফ্লিন যখন বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিজনেস স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করেন, তখন আমেরিকায় ‘ডটকম’ বা ইন্টারনেট বিপ্লবের জয়জয়কার। তার সহপাঠীরা সবাই বড় বড় করপোরেট সংস্থায় যোগ দিয়ে রাতারাতি কাগজে-কলমে ‘মিলিয়নিয়ার’ বনে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ফ্লিন হাঁটলেন ভিন্ন পথে। এক বন্ধুর রেস্তোরাঁ ব্যবসায় সাহায্য করতে যোগ দিলেন তিনি। এর কয়েক বছর পর আমেরিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থার দারুণ অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফ্লিন নিজেই আটটি ‘অ্যাপলবিস’ রেস্তোরাঁ কিনে নেন।
















