মিসর ইস্যুতে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি আলোচিত দেশটির প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি এবং তার সাবেক বস মোহাম্মদ মুরসি।
সাধারণ জনতার ওপর পুলিশি বর্বরতা চালানোর অভিযোগে মুরসি এখন কারাগারে অন্তরীণ থাকলেও সম্প্রতি কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরার সিনিয়র রাজনৈতিক বিশ্লেষক মারওয়ান বিশারার তার কল্পনায় এই দুই নেতাকে মুখোমুখি বসিয়েছিলেন এবং সম্ভাব্য বিষয়গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
মুরসি: তুমি এখানে কি করছো?
সিসি: আমি আমার পুরনো বন্ধুকে দেখতে এসেছে।
মুরসি: হ্যাঁ, তা ঠিক। এখনও সেই নির্বোধ উচ্চাকাঙ্ক্ষাহীন চেহারা ধরে রেখেছো।
সিসি: ‘মিসর দীর্ঘজীবী হোক’। আসলে আমার এখানে আসার একটা কারণ আছে।
মুরসি: যাইহোক, তোমার জানা উচিত যখন আমি এবং আমার মতো আরও চল্লিশ হাজার মানুষ কারাগারে আছে তখন আমি কোনো অপরাধীর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক চুক্তি করতে রাজি নই।
সিসি: না, কোনো চুক্তি নয়। শুধুই আনন্দ উদযাপন- মিসর দীর্ঘজীবী হোক।
মুরসি: সুতরাং তুমি তোমার দম্ভ নিয়েই আছো। আমার মনে হয় সেটা বৈধতার এক বছর আগে থেকেই…।
সিসি: যখন আমি তোমার চেয়ে দ্বিগুণ ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হই তখন থেকেই…হ্যা ওই ঘটনা আমার মনে দাগ কেটেছিল।
মুরসি: অন্য একটা দুঃস্বপ্ন শুরু হওয়ার আগে, তোমার সাহস হয় কিভাবে আমাদের নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা করার। তুমি তোমার জয় চুরি করেছো, আমি আমারটা জিতেছি। তুমি স্বৈরশাসক হিসেবে নব্বই শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছো।
আর আমি প্রেসিডেন্ট হিসেবে পঞ্চাশ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিলাম। তুমি বাশার আল আসাদের মতো, আর আমি রিসেপ তায়েপ এরদোগানের মতো।
সিসি: আমি বৈধতা নিয়েই নির্বাচিত হয়েছি এবং তুমি যেভাবে সব নষ্ট করেছো, আমি তা করিনি।
মুরসি: বৈধতা? যে বড় শব্দগুলো তুমি বোঝো না সেগুলো ব্যবহার করো না। তুমি সামরিক ক্যুয়ের মাধ্যমে ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছেছো।
সিসি: তুমিও ক্যুয়ের কাঁধে চড়ে ক্ষমতায় বসেছিলে। আমি ছিলাম সেনাবাহিনীর সেই মানুষ যে মোবারককে অপসারণ করেছিলাম এবং তুমি সেটা ভুলে যাওনি! শুধু যে চাপের কারণেই সেটা করা হয়েছিল তা নয়, আমরা গামালের (মোবারক) কারণে ক্রমশ অসুস্থ হয়ে যাচ্ছিলাম।
মুরসি: তোমার কোনো উপায় ছিল না। রাজপথ ছিল উত্তপ্ত।
সিসি: তাহলে তুমি সত্যিই ভাবো না যে তাহরির স্কয়ারের প্রতিবাদকারীরাই পরিবর্তন এনেছে? তুমি অতটা সরল নয়, তাই কি! তোমার সঙ্গে যা যা ঘটেছে, সবকিছুর পরেও কি তাই বলবে?
মুরসি: এটা বিপ্লব। জনগণের বিপ্লবের কারণেই ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে এবং মিসরকে চিরতরে পরিবর্তিত করেছে। তুমি যা করেছো তা জনগণ কখনোই ভুলবে না।
সিসি: না। তারা সেটা করবে না। তারা আমাকে এজন্য ধন্যবাদ দেবে। ‘মিসর দীর্ঘজীবী হোক।’
মুরসি: তোমার প্রতিবিপ্লব আমাদের ইতিহাসে একটা ছোট ক্ষতি ছাড়া আর কিছুই নয়। সময় আসলে কোনোকিছুই সেই ধারণাকে (তত্ত্ব) হারাতে পারবে না।
সিসি: প্রতিবিপ্লব! মুসলিম ব্রাদারহুড যা করছিল সেটা খুবই হৃদয়বিদারক ছিল। ২০১৩ সালের জুন মাসে তারা তোমার ক্ষমতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল, যা ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে মোবারকের বিরুদ্ধে করা প্রতিবাদের চেয়েও বড় ছিল।
মুরসি: ওটা তোমার আহ্বানেই ঘটেছিল। বাস্তবে, হয় তুমি মিথ্যা বলছো নতুবা তুমি নিজেই তোমার মিথ্যাকে বিশ্বাস করো।
সিসি: তুমি এবং তোমার শয়তানি সংস্থা কাছ থেকে দেশকে বাঁচানোর পর তারাই আমার কাছে দেশকে বাঁচানোর জন্য দয়াভিক্ষা চাইছিল। তুমি তোমার সত্যিকারের রং দেখিয়েছো। You’re no Brotherhood, you’re evil-hood.
মুরসি: অন্য যারা চালাতে পারতো, তুমি তাদের সুযোগও নষ্ট করেছো। এমনকি তোমার সাবেক বস সামি আনানের কাজটিও সম্পূর্ণ করতে পারোনি। তোমার বাহিনীর সদস্যরা সবাইকে দমাতে চেয়েছিল।
সিসি: যাইহোক, কারাগারে তোমার রাতের ঘুম ভালোই হচ্ছে.. (হাস্যরত)
মুরসি: এই ছোট কারাগারটি আমাকে সম্মানিত করেছে। আর তুমি প্রেসিডেন্ট ভবনকে অসম্মানিত করেছো। যদি তুমি একজন মানুষ হও তাহলে তোমাকেও এই জায়গায় আসতে হবে। কেন তুমি গরাদের বাইরে থেকে আমার সঙ্গে কথা বলছো খচ্চর। চিন্তা কোরো না, আমি তোমার চোখ তুলে ফেলবো না…(হাস্যরত)
সিসি: ওহ, তুমি এখন তাহলে আমাকে তোমার সঙ্গে লড়াইয়ের আমন্ত্রণ জানাচ্ছো। জনাব বিপ্লবী আমি ভণ্ডামি এবং অপমানের গন্ধের সামনে দাঁড়াতে পারছি না।
মুরসি: সত্যিই আমি একজন বিপ্লবী। কিন্তু তুমি কি? একজন শূন্য মানুষ, একজন কুচক্রী খাটো মানুষ।
সিসি: আমি এটাকে ধরছি না। তোমার মৃত্যু আসন্ন তাই তুমি মরিয়া।
মুরসি: আমার চিন্তার জন্য আমার মৃত্যু হলে আমি খুশি। কিন্তু শূন্যতা নিয়ে বেঁচে থেকে কি তুমি সুখী?
সিসি: কবে দেখেছো ইসলামিস্টদের বিপ্লবের অন্তরায় হতে? ইসলাম বিপ্লবের বিরুদ্ধে নয়। তুমিই কি ধীরগতির পরিবর্তনের জন্য দায়ি নও? কেন তুমি স্বীকার করছো না যে তুমি অনেক বেশি উত্তেজিত ছিলে এবং অপরিপক্কতার অভিনয় করছিলে। তোমার তাড়াহুড়োর পদক্ষেপ তরুণদের মনে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল।
মুরসি: আমরা ন্যায়নিষ্ঠ বিচারের পথে হাঁটতে পারছি না। যখন তোমার সেনাবাহিনী এবং নিরাপত্তাবাহিনী আমাদের জনগণ, আমাদের সন্তান এবং কন্যাদের লাঞ্ছিত করে তখন আমরা অলস হয়ে বসে থাকতে পারি না।
সিসি: সেনাবাহিনী আমাদের অনেক সাহায্য করেছে। তারা মিসরকে তোমার এবং মোবারকের হাত থেকে বাঁচিয়েছে। তুমি কি সত্যিই ভালো যে মিসরীয়রা ইরানের ঘটনার পুনরাবৃত্তি চায়?
মুরসি: এটা স্রেফ জনগণের বিপ্লব। জনগণ কথা বলেছিল এবং আমরা বৈধভাবেই জিতেছিলাম। অন্যদিকে ছিলে তুমি, খাবার এবং জ্বালানির কৃত্তিম সংকট সৃষ্টি করে ক্ষমতাকাঠামোকে নিজ উদ্দেশ্যসাধন করতে ব্যবহার করেছো। এবং তুমিই মানুষের মাঝে অসন্তোষ সৃষ্টি করেছো, আর অসদুপায় অবলম্বন করে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তুমিই জনগণের মাঝে আগুন জ্বালিয়েছিলে।
সিসি: ওটা কোনো বিপ্লব ছিল না। ওখানে ছিল না কোনো নেতা, ছিল না কোনো আদর্শ। শুধু ছিল স্বাধীনতা আর ন্যায়বিচার চেয়ে ফাঁকা শ্লোগান।
মুরসি: ওগুলো মোটেও ফাঁকা বুলি ছিল না। ওই শ্লোগানগুলো ছিল জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষার সত্যিকারের প্রতিফলন। কেন আমাদের জনগণের ভয় এবং দুর্দশার ভেতর জীবন কাটাতে হবে?
সিসি: ওটা ছিল গোলমেলে বিশৃঙ্খল অবস্থা। তুমি কি আমাদের আরব/ইসলামিক বুদ্ধিদীপ্ত কথাগুলো ভুলে গেছো ‘একদিনের বিশৃঙ্খলার তুলনায় একশ’বছরের স্বৈরশাসনও ভালো’। তুমিই সকল প্রকার কারণ বর্হিভূত প্রত্যাশা, সংশয় এবং বিশৃঙ্খলতার জন্য দায়ী।
মুরসি: মিসরীয়রা তোমার ফ্যাসিস্ট কৌশলের চেয়ে আমাদের ইসলামিক পন্থাকেই পছন্দ করে।
সিসি: মিসরীয়রা খুব বৈচিত্র্যময় এবং মুক্তমনের মানুষ। তারা তোমার বিশৃঙ্খলতাকে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং তখনই তারা তোমার ইসলামিক স্বৈরশাসনকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সহ্যসীমা কি!?
মুরসি: এটা সত্যিই অবাক করার মতো যে তুমি তোমার মুখে ওই নির্বোধ হাসিটা ধরে রেখেছো। আমরা ভোটে জিতেছিলাম- সংসদীয় ভোট, সাংবিধানিক ভোট এবং প্রেসিডেন্সিয়াল ভোট। এবং তুমি সেটাকে স্বৈরশাসন বলছো?
সিসি: আবারও আমরা শুরু করলাম! তুমি লা লা ল্যান্ডে বাস করো। কী স্বল্প স্মৃতি! তুমি এবং তোমার কর্তৃত্ববাদী ইসলামতন্ত্রের প্রতি মানুষ আকৃষ্ট হয়েছিল। তোমাকে ধন্যবাদ- শুধু তোমার কারণেই বিপ্লব ব্যর্থ হয়েছে এবং আজ আমি প্রেসিডেন্ট। আমি তোমাকে ধন্যবাদ জানাতেই এসেছি। মিসর দীর্ঘজীবী হোক।
মুরসি: না, তোমার অবৈধতা এবং রক্তাক্ত ক্যু-ই তোমাকে প্রেসিডেন্ট বানিয়েছে। কেন তুমি অন্তত আমার কাছে তা স্বীকার করো না!
সিসি: দেখো, সিরিয়াসলি বলছি। যদি তোমার অন্ধত্ব, একগুঁয়েমিপনা না থাকতো তাহলে কেউই সেনাবাহিনী থেকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করতে চাইতো না।
মুরসি: আমরা বিনয়ের সঙ্গেই স্বীকার করছি যে আমরা কিছু ভুল করেছি এবং আমরা কিছু মাত্রায় হলেও ভালো কিছু করছি।
কিন্তু এর সবকিছুই ব্যালট বক্সের মাধ্যমে প্রতিফলিত হবে। তুরস্কের দিকে তাকাও,একটা গুলি বর্ষণ ছাড়াই তুরস্কের জনগণ এরদোগানের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে না বলেছে।
সিসি: তোমার উচ্চাকাঙ্ক্ষী বন্ধু এরদোগান নির্বাচনের পর পুরো দেশকে গিলে খাওয়ার চেষ্টা করেনি, যা তুমি করেছো। এটা তার জন্য তৃতীয় অথবা চতুর্থ নির্বাচন। তুমি শুধু ভুলই করোনি, একই সঙ্গে রাজনৈতিক আত্মহত্যাও করেছো।
মুরসি: বিপ্লব হুমকির মুখে ছিল বলে আমি জ্বালানির পরিমাণ কমিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। তোমার লোকদের কাছ থেকে বিপ্লবকে রক্ষা করতে চেয়েছিলাম আমি। আমরা যতক্ষণ না একটা নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম করছিলাম ততক্ষণ পর্যন্ত ওই সিদ্ধান্ত ছিল সাময়িক। আমি জানি না, কেন এসব ব্যাখ্যা আমি তোমাকে দিচ্ছি জনাব ষড়যন্ত্রকারী।
সিসি: তুমি বিপ্লবকে রক্ষা করতে চাওনি। চেয়েছিলে তোমার ক্ষমতাকে যেকোনো মূল্যে বাঁচিয়ে রাখতে। আর সেটা তুমি বিপ্লব এবং ব্রাদারহুডকে ধ্বংস করার মধ্যে দিয়ে শেষ করেছো।
মুরসি: তুমি এবং তোমার সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরেই আমাদের মৃত্যুকামনা করছিলে। কিন্তু আমরা সর্বদাই হত্যাকাণ্ড, গ্রেপ্তার এবং নির্যাতন সত্ত্বেও একত্রিত হতে পেরেছিলাম।
সিসি: মজার বিষয় হলো, মিসরের রাস্তায় দেশটির সকল প্রেসিডেন্টরাই চেষ্টা চালিয়েছিলেন। নাসের, সাদত এবং মোবারক…তারা সবসময়ই মুসলিম ব্রাদারহুডকে ধ্বংস করতে চেয়েছে কিন্তু একমাত্র মুরসিই সফল হয়েছে(হাস্যরত)। মিসর দীর্ঘজীবী হোক।
মুরসি: সবাই যেখানে ব্যর্থ হয়েছে সেখানে আমি এবং আমার অনুসারী ভাইয়েরা সফল হয়েছি। আমিই প্রথম মিসরের গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট।
সিসি: ননসেন্স। তুমি স্রেফ তোমার অংশীদারদের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য ব্যবহার করেছিলে। যেমনটা ১৯৭৯ সালে করেছিল আয়াতুল্লাহ খোমেনি।
মুরসি: আমরা খোমেনির মতো নই। আমরা শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বেছে নিয়েছি।
সিসি: তুমি ছিলে অন্য অনেকের তুলনায় সংঘবদ্ধ এবং অনেক দক্ষ এবং ব্যালট বক্সের সুবিধা নিয়েছো। তুমি তাদের সকলকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে গিয়েছিলে।
মুরসি: আমরা অংশীদার এবং তাই থাকবো।
সিসি: তুমি তাদের শুরু থেকেই ছেড়ে দিয়েছিলে। ২০১১ সালের শেষের দিকে যখন আমরা অনেক মানুষকে হত্যা করছিলাম তখন তুমি অন্যদিকে তাকিয়ে ছিলে। মোহাম্মদ মাহমুদ রাস্তায় হত্যাকাণ্ডের কথা মনে আছে, স্নাইপাররা যে আন্দোলনকারীদের চোখে গুলি করছিল।
মুরসি: তাহলে তুমি সব স্বীকার করছো…
সিসি: আমরা তাই করেছি, যা আমাদের করতে হতো। আমরা তোমার মতো ভণ্ড নই। তোমার অংশীদারদের সহযোগিতা করার কোনো সদিচ্ছা বা রাজনৈতিক ইচ্ছাও তোমার ছিল না। যে কারণে তুমি এখন একা।
মুরসি: আমাদের সহ্য করার ক্ষমতা ছিল এবং আমরা ছিলাম মুক্ত। আমরা তাই বিরোধীদল এবং সেনাবাহিনীর দিকে হাত বাড়িয়েছিলাম।
সিসি: এই কারণেই কি তারা সকলে তোমার বিরুদ্ধে চলে যায়?
মুরসি: তুমি তোমার মিথ্যাচারকেই বারবার বলছো। আমরা মিসরের রাস্তায় একত্রে লড়াই করেছিলাম, যেমনটা আমরা বলি।
সিসি: সেগুলো সব মুগ্ধ করার মতো ঘটনা এবং আমার ইচ্ছে ছিল তোমার সঙ্গে আরও কিছুক্ষণ কথা বলার, সত্যিই এটা আনন্দদায়ক। কিন্তু আমার প্রেসিডেন্ট হিসেবে কিছু দায়িত্ব আছে। আমি নিশ্চিত তোমারও অনেক কিছু করার আছে…(হাস্যরত)। মিসর দীর্ঘজীবী হোক।
মুরসি: তুমি পালিয়ে যাচ্ছো কারণ তোমার কিছু বলার নেই আসলে।
সিসি: পালিয়ে যাচ্ছি! আমি তোমাকে বলছি শোনো…আগামী বুধবার আমাদের এই কথা শেষ করার জন্য আমি আসবো। তখন তোমার জন্য আমার তরফ থেকে সারপ্রাইজ অপেক্ষা করবে।
মুরসি: খোদার অভিশাপ নামুক তোমার ওপর…
সিসি: মিসর দীর্ঘজীবী হোক।
এসএইচ





