সিরিয়ায় প্রথমবারের মতো বিমান হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্র বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে মঙ্গলবার থেকে এ হামলা শুরু করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে হামলা শুরুর কথা জানানো হলেও এ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়া হয়নি। কোন কোন দেশ মিলে কোন অঞ্চলে এ অভিযান পরিচালনা করছে তা জানায়নি দেশটি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আইএস (ইসলামিক স্টেট) নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোতে এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, আমি নিশ্চিত করছি, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও তার সহযোগী দেশগুলো সিরিয়ায় আইএসআইএল’র (বর্তমানে আইএস) বিদ্রোহীদের ওপর ফাইটার, বোমারু বিমান ও টমাহক (উত্তর আমেরিকার ইন্ডিয়ানদের ব্যবহৃত কুঠারজাতীয় অস্ত্র) ল্যান্ড অ্যাটাক মিসাইল ব্যবহার করে হামলা চালানো শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, কমান্ডার ইন চিফের অনুমোদন নিয়ে দিনের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড কমান্ডার এ হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন। পরবর্তী সময়ে আমরা এ অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানাব।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ায় চালানো এ হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ন্যাটো, অস্ট্রেলিয়া ছাড়াও আরব রাষ্ট্রগুলো সহাযোগিতা করছে। তবে আরব রাষ্ট্রগুলো কীভাবে সহযোগিতা করছে এ সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেনি।

এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আইএসকে হটাতে সর্বাত্মক আক্রমণের ঘোষণা দেন।

এরপরই সিরিয়ায় হামলার জন্য জোট গঠনের উদ্যোগ নেয় দেশটি। ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ১০টি আরব রাষ্ট্রসহ ৩০টি দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতার ব্যাপারে সম্মত হয়।

এদিকে গত সোমবার যেখানেই বিদেশিদের পাওয়া যাবে সেখানেই তাদের ওপর হামলা চালাতে সমর্থকদের নির্দেশ দিয়েছে আইএস।

গত আগস্ট থেকে আইএসকে দমনে সিরিয়ার পার্শ্ববর্তী ইরাকে বিমান হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ পর্যন্ত সেখানে অন্তত ১৯০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা ও বিবিসি।

ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ